এনআরসি, সিএএ, এই রাজত্ব চলবে না !

Share, Comment
EmailFacebookTwitterWhatsApp

পূর্ণেন্দু বসু

রাজনীতির পটপরিবর্তন স্বাভাবিক নিয়মেই হয়। সাধারণ মানুষই সেখানে নির্ণয়কের ভূমিকা নেয়। এনআরসি, সিএএ, এনপিআর নিয়ে গোটা দেশ উত্তাল। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন মানুষ। এরই মধ্যে ঝাড়খণ্ডে গো-হারা হেরেছে বিজেপি। এর জন্য ওরা প্রস্তুত ছিল না।

পরপর বিধানসভা ভোটে বিজেপির ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ এবং সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের রাজনীতি এক বড় ধাক্কা খেয়েছে। সিএএ ও এনআরসির বিরুদ্ধে আন্দোলনের দাপট দেখে বিজেপির শরিকরাও বুঝে গিয়েছে যে বিজেপিকে সমর্থন জুগিয়ে গেলে মুশকিলে পড়তে হবে। তাই যে শরিক দলগুলি সংসদে নাগরিকত্ব সংশোধনের পক্ষে ভোট দিয়েছিল, তারাই এখন পিছু হঠছে। নবীন পট্টনায়েক জানিয়েছেন, তিনি সমর্থন তুলে নিচ্ছেন। অকালি দল একই পথ অনুসরণ করেছে। তার উপর যুক্ত হয়েছেন নীতীশ কুমার। তাঁর দল জেডিইউয়ের সহ-সভাপতি প্রশান্ত কিশোর যখন এই সংক্রান্ত বিলের প্রবল বিরোধিতা করছিলেন, তখনও নিজের অবস্থান থেকে সরেননি নীতীশ কুমার। কিন্তু পরিস্থিতি স্রোতের বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে দেখে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে আর সমর্থন করছেন না। এই অবস্থা অবশ্যই বিজেপির কাছে এক অশনি সংকেত।

চলতি বছরেই লোকসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠটা দিয়ে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় ফিরে এসেছেন। সংখ্যাগরিষ্ঠ না হওয়া সত্ত্বেও রাজ্যসভায় ফ্লোর ম্যানেজ করে বিভিন্ন বিল পাস করিয়ে নিয়েছেন। এখন পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে তাতে কি আর যেভাবে চলছিল, সেভাবে চলা যাবে? ঘটনাক্রম কিন্তু উল্টোকথা বলছে। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে সরকার যে বিস্তর চাপে পড়েছে, তা বোঝা যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের টুইটার হ্যান্ডেল ব্যবহার করে একের পর এক সাফাই থেকে। যতরকম ভাবে সম্ভব দেশবাসীকে বোঝাবার চেষ্টা চলছে, ‘আতঙ্কের কিছু নেই’। কিন্তু এই টুইটগুলি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রী করছেন না। স্বরাষ্ট্র সচিবও এই টুইটগুলি করলে সরকারের অবস্থান বোঝা যেত। সোশ্যাল মিডিয়ার কিছু একটা লিখে দিলেই সমস্যার সমাধান হয় না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাস্তবে এতটা এগিয়ে গিয়েছেন যে, তাঁর পক্ষে আচমকা ফিরে আসার উপায় নেই। তাহলে তো দেশ বলবে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও গণবিক্ষোভে পিছু হঠল সরকার। আসলে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করার ব্যাপারে কিংবা গোটা দেশে কীভাবে এনআরসি কার্যকর হবে, তা সরকারের অন্দরমহলের অনেকেই এখনও জানে না। তাহলে সাধারণ মানুষ বুঝবে কী করে? জনমানসে ক্রমশই বিভ্রান্তি বাড়ছে। আর মানুষের শিকড় নিয়ে বিভ্রান্ত তৈরি হলে বিক্ষোভ তো ছড়াবেই। জোরদার হবে আন্দোলন। মানুষের আস্থা-বিশ্বাসের মর্যাদা না দিলে, মানুষ ছেড়ে কথা বলবে না। কারণ, গণতন্ত্রে মানুষই শেষ কথা। উল্লেখ্য যে, সুপ্রিম কোর্ট সরকারকে জনসমক্ষে নাগরিক আইন নিয়ে প্রকৃত সত্যটি জানাতে নির্দেশ দিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই কাগজে বিজ্ঞাপন দিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, এই নয়া আইনের মাধ্যমে ভারতীয় মুসলমানদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। অর্থাৎ সরকারি বিজ্ঞাপন অনুযায়ী মুসলমানরা নয়া আইনের বাইরে থাকবেন। এমন কথাও বলা হয়েছে, শুধু মুসলমানরাই নন, দেশের অন্য যে-কোনও ধর্মের মানুষেরই এই আইন নিয়ে কোনও চিন্তার কারণ নেই। একদিকে যখন কেন্দ্রীয় সরকার এরকম কথা বলছে, ঠিক তখনই দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কিন্তু বড় ধরনের বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিয়েছেন। তাতে ক্রমাগত সংশয়, আতঙ্ক এবং ভয়ের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

অমিত শাহ বলেছেন, ভোটার কার্ড নাগরিকত্বের কোনও প্রমাণ নয়। এমনকী, আধার কার্ড দেখিয়েও কেউ নিজের নাগরিকত্ব একশো শতাংশ প্রমাণ করতে পারবেন না। তাহলে নাগরিকত্ব প্রমাণের উপায়টা কী? এরজন্য কোন কার্ড বা নথি দেখাতে হবে? না-কি কিছুই দেখাতে হবে না? এসব বিষয়ে সরকার কিছুই খোলসা করে বলছে না। আর এখান থেকেই শুরু হয়েছে বিভ্রান্ত ও গুজবের।

যদি তর্কের খাতিরে ধরে নিই যে, ভোটার কার্ড নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, তাহলে স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠবে, কাদের ভোটে জিতে ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদি দিল্লির মসনদে বসলেন? অনাগরিকদের ভোটে জিতে? গদিতে বসেই সংবিধানটাকেই আমূল বদলে দিলেন?

তখন আবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক টুইট করে বলছে, ১৯৭১ সালের আগের কোনও পৈতৃক পরিচয় নাকি লাগবে না। তাহলে সত্যটা কী? একদিকে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, সিএএ নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন, নাগরিকত্ব কাড়ার আইন নয়। আর অন্যদিকে বলছেন, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড নাগরিকত্ব প্রমাণের যথার্থ নথি নয়। দু’রকম কথা হয়ে যাচ্ছে না? এই বিভ্রান্তি ও আতঙ্ক কাটানোর দায় কার? যদি আধার কার্ড এবং ভোটার কার্ড নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য যথেষ্ট না হয়, তাহলে নাগরিকপঞ্জিতে নাম ওঠাতে কোন কোন প্রমাণপত্র লাগবে? সেকথা কেনসরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হচ্ছে না? তবে কোন যুক্তিতে মানুষের করের হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড তৈরি করা হল?

দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন একদিকে বলছেন, ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ-এর কথা, আবার অন্যদিকে পোশাক দেখে একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে দেগে দেওয়ার চেষ্টা করছেন, তখন আসল কথাটা কি আর বুঝতে বাকি থাকে? প্রধানমন্ত্রীর কথা থেকেই স্পষ্ট যে তিনি সবার পক্ষে বলছেন না, একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে (ধরুন মুসলিম সম্প্রদায়কে) বিচ্ছিন্ন করার জন্যই তাঁরা এই এনআরসি এবং সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে এসেছেন। যা ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের উপরেই সরাসরি আঘাত করে। এ জিনিস চলতে পারে না। এতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও অবিশ্বাস বাড়বে। বাড়বে মানুষে মানুষে দূরত্ব। সেই ঘৃণা ও অবিশ্বাসের আগুন থেকে হিন্দুরাও বাদ যাবে না। যেমনটা দেখা যাচ্ছে অসমে। সেখানে ১৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ নাগরিকপঞ্জিতে নাম তুলতে পারেননি । যাদের মধ্যে ১২ লক্ষেরও বেশি হচ্ছে হিন্দু। এর থেকে বোঝা যাচ্ছে মোদি-অমিত শাহের রাজত্বে কেউই নিরাপদ নয়। হিন্দু-মুসলিম কেউই নয়।

যা করা যায় না বিজেপি ও সংঘ পরিবার মিলে সেই কাজ করছে। ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়া। যা কখনওই সংবিধান সম্মত হতে পারে না। ভারতীয় সংবিধান সম্পর্কে সামান্যতম ধারণা থাকলেও এটা বোঝা যায় এদেশে ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব দেওয়ার সামান্যতম ইঙ্গিতও সংবিধান দেয়নি। মোদি-শাহ জুটি সংখ্যাগরিষ্ঠের যুক্তি দিয়ে ন্যায়ের পথ থেকে অন্যায়ের পথে দেশকে নিয়ে যাচ্ছেন। গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, আইনের চোখে সকলের সমানাধিকার-এসবের ধার ধারছে না। বিজেপি তথা তাদের নেতৃবৃন্দ। প্রশ্নটা সকলের কাছে– ভারত কোন পথে চলবে? হিন্দু রাষ্ট্র গড়ার পথে, না কি ধর্মনিরপেক্ষতার পথে?

হিন্দুরা বিপদে পড়লে এদেশের আশ্রয় পাবে— একথা বলার পিছনে মূল ভাবনাটি হল—এদেশ হিন্দুদের দেশ। আরএসএস-এর সরসংঘচালক মোহন ভাগবতের কথায় যা, “হিন্দুস্থান। হিন্দু রাষ্ট্র।”

২০২৫-এ আরএসএস প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ। সংঘ পরিবার আশাবাদী, স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষ। ২০২২-এ না হলেও অন্তত আরএসএস প্রতিষ্ঠার শতবর্ষে তাঁদের হিন্দু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন পূরণ হবে। এমন ভাবনা থেকেই মোদি-অমিত শাহরা চলছেন। রাজনীতির ঘুঁটি সাজিয়েছেন সেভাবেই। তবে মানুষ সে পথে হাঁটবেনা, এনআরসি-সিএএ-এনপিআর-বিরোধী গণআন্দোলন সেকথাই স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছে। চেপে রাখা আদর্শ ও মূল্যবোধ আবার সামনে আসতে শুরু করেছে। ভারত একসঙ্গে থাকতে চায়। মিলেমিশে থাকতে চায়। সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও মজবুত করতে চায়।

একেবারে গোড়ার কথা হল, এটা খেলার বিষয় নয়। এটা রাষ্ট্রের বিষয়, রাষ্ট্রনীতির বিষয়। রাষ্ট্র ও সমাজের মধ্যে মূল সম্পর্ক হল নাগরিকত্ব। তাই নাগরিকত্ব কে পাবে, আর কে পাবে না, সেটা কোনও একটি দলের সরকার ঠিক করে দিতে পারে না। এরজন্য চাই সর্বদলীয় সম্মতি ও অনুমোদন। যে কথাটি অত্যন্ত জোরের সঙ্গে বলা প্রয়োজন তা হল-ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে দেশের নাগরিকত্বের শর্ত পাল্টে দিয়ে দেশের চরিত্র রাতারাতি বদলে দেওয়া যায় না। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেই গণতান্ত্রিক বোধের প্রতি সম্মান না জানালে, তারাও সন্মান পাওয়ার অধিকারী থাকেন না। নাগরিকদের প্রতিটি প্রশ্নের যুক্তিগ্রাহ্য উত্তর তাঁদের দিতেই হবে। তাঁরা যদি ভেবে থাকেন-এটা-ওটা বলে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে মানুষকে চুপ করিয়ে দেবেন–তাহলে সেটা হবে বড় ধরনের মূর্খামি।

নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ দেশবাসীর কাছে স্পষ্ট করে বলুন, কেন এখনই এনপিআর (ন্যাশনাল পপুলেশন রেজিস্টার) শুরু করা দরকার? কেন এনপিআর-এর সঙ্গে এনআরসির কোনও সম্পর্ক নেই বলে তাঁরা দাবি করছেন, তা স্পষ্ট করুন। যদি *সম্বন্ধ* না থাকে, তাহলে অসমে এনআরসি হয়ে গিয়েছে বলে সেখানে এনপিআর হচ্ছে না কেন? যদি সম্পর্ক না-ই থাকে তাহলে এনপিআরের সম্পূর্ণ নতুন প্রশ্নাবলী সংযোজিত হচ্ছে কেন? বলা হচ্ছে, বাবা-মায়ের জন্মস্থানও জানাতে হবে! মোদি-শাহ জানান, যদি কেউ এনপিআরে সব তথ্য জানাতে না পারেন, তাহলে তাঁদের পরিণতি কী হবে। সমাজ জানতে চায়। এটা সমাজের অধিকার। প্রয়োজনীয় প্রশ্নগুলির উত্তর দেওয়া সরকারের দায় ও দায়িত্ব । এখনও পর্যন্ত যা বোঝা যাচ্ছে, নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ, দেশের মানুষের কাছে নাগরিকত্বের প্রমাণ চান। অথচ হওয়া উচিত উল্টোটা। রাষ্ট্রের কাজ দেশের মানুষকে নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেওয়া। এর অন্যথা হতে পারে না। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রনীতির শিক্ষা এটাই।

কোনও শাসক দল যদি বিপুল জনসমর্থনকে নিজের সংকীর্ণ স্বার্থে কাজে লাগাতে গিয়ে, সংবিধানের তোয়াক্কা না করে, ধর্মকে তুরুপের তাস বানিয়ে রাজনীতি করে, এককথায় তা হবে গণতন্ত্রের মর্যাদাকে ভূলুণ্ঠিত করা। এই কাজ স্বৈরশাসনের পথ প্রশস্ত করে। প্রশস্ত করে অপশাসনের পথও। সেখান থেকেই শুরু হয় রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি।

শাসকরা একেকবার একেকরকম কথা বলছেন। আজ যা বলছেন, কাল তা বদলে যাচ্ছে। এতে মানুষের ভরসা কমতে থাকে শাসকদের প্রতি। মানুষ বিরক্ত হতে হতে সক্রিয় প্রতিবাদে ফেটে পড়েন। ধীরে ধীরে রাজনৈতিক ভারসাম্যের পরিবর্তন হতে শুরু করে।

চরম আর্থিক সংকটে বিপর্যস্ত জনজীবন। অর্থনীতির শ্লথগতি ও মুদ্রাস্ফীতির যুগলবন্দিতে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি ক্রমাগত নিচে নামছে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গিয়েছে। ফলে চাহিদাও কম। আর্থিক সংস্কারের নামে কর্পোরেট সেবা চলছে পুরোদমে। জনসাধারণের মধ্যে দরিদ্র বাড়ছে। আর কত সহ্য করবে মানুষ। মোদি সরকারকে ভোট দিয়ে যাঁরা এনেছিলেন, তাঁরাই হতাশ। ক্ষুব্ধ। ক্রুদ্ধ। ভাবনার পরিবর্তনও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কথায় বলে, শাসকরা যে পাথরটা তোলে, সেটা তাদেরই পায়ের উপর পড়ে। মোদি-অমিত শাহের দশাও সেইরকম।

আজ উত্তরপ্রদেশে যা চলছে তাকে গুল্ডারাজ ছাড়া অন্য কিছু বলা যায় না। মুজফফরনগর থেকে আলিগড়, সর্বত্র পুলিশ ও প্রশাসন যেভাবে দমননীতি গ্রহণ করেছে তা শীর্ষস্তরের নির্দেশ ছাড়া অসম্ভব। নয়া নাগরিকত্ব আইনের যাঁরা বিরোধিতা করেছেন আদিত্যনাথ ঘোষণা করেই তাঁদের বিরুদ্ধে বদলা নিচ্ছেন। তাঁর রাজ্যে যাঁরাই প্রতিবাদী তাঁরাই শত্রু বলে গণ্য হচ্ছেন। খুন-গ্রেফতার রোজকার ঘটনায় পর্যবসিত হয়েছে। এই কি ন্যায়ের শাসন? মানুষ এর জবাব দেবেই।

 

This post is also available in: English

Subscribe to Jagobangla

Get the hottest news,
fresh off the rack,
delivered to your mailbox.

652k Subscribers

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial