সাগরতীর্থে সর্বধর্ম সমন্বয়ের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

Share, Comment
EmailFacebookTwitterWhatsApp

কর্মবীর দাসশর্মা

ধর্ম মানে হিংসা নয়, ভেদাভেদ নয়, আসলে ধর্মের মধ্য দিয়েই যে মিলনক্ষেত্র তৈরি হয়, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ গঙ্গাসাগর। মকরসংক্রান্তিতে গঙ্গাসাগরে পুণ্যস্নান উপলক্ষে মেলা শুরুর আগে প্রস্তুতি দেখতে এসেছিলেন জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাগরে কপিলমুনির মন্দিরে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি ভারত সেবাশ্রম সংঘেও গিয়েছিলেন তিনি। কথা বলেন কপিলমুনির মন্দিরের মহন্ত এবং সেবাশ্রমের মহারাজদের সঙ্গে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সভাধিপতি সামিমা শেখকে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে আশ্রমে দাঁড়িয়ে জননেত্রী স্পষ্ট করে বলেন, “এই যে সাগরমেলা এখানে সমস্ত ধর্মের মানুষ আসেন। জাত-পাতের উর্ধ্বে হল এই সাগরের মিলনক্ষেত্র। মুসলিম, শিখ, হিন্দু, ইসাই, কত মানুষের চরণচিহ্ন পড়ে আছে এই সমুদ্রের বালুকাবেলায়। তাহলে দেশের মধ্যে নতুন করে এত ভেদাভেদ কেন?” বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে কটাক্ষ করে মা-মাটি-মানুষের নেত্রী বলেন, “শুধুমাত্র ধর্মের দোহাই দিয়ে কাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে? আর কাকেই বা রাখা হবে? সবাই তো ভারতমাতার সন্তান। সবার আত্মায় ভারতীয়ত্ব জড়িয়ে রয়েছে। কেন অকারণে এই হিংসা ও ভেদাভেদ?” মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন কপিলমুনি আশ্রমের প্রধান মহন্ত জ্ঞানদাস। তাঁর বক্তব্য উল্লেখ করে জননেত্রী গঙ্গাসাগরে দাঁড়িয়ে বলেন, “মহন্ত যা বলেছেন তা ভারতীয় সংস্কৃতি ও ভারতীয় ঐতিহ্যের কথাকে তুলে ধরেছে। এখন ক্ষমতায় এসে নতুন করে কেউ কেউ দেশকে ভাঙার চেষ্টা করছে। আমরা প্রাণ দিয়ে তা রুখব।”

This post is also available in: English

Subscribe to Jagobangla

Get the hottest news,
fresh off the rack,
delivered to your mailbox.

652k Subscribers

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial