সবুজের অধিকার

ব্রাত্য বসু

আসুন কল্পনা করা যাক এক অতি আধুনিক ভবিষ্যতের বিশ্বকে-যেখানে মানব সভ্যতা জয় করেছে রোগ-ব্যাধি আর জরাকে। দুঃসহ দারিদ্র্য বিদায় নিয়েছে বিশ্ব থেকে-সবার মাথা জুড়ে আছে কাচের ছাদ আর পেটে আছে কৃত্রিম খাবার। মানুষ পারমাণবিক জ্বালানির নিখুঁত নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে-যানবাহন অত্যাধুনিক আর দুর্বার গতির হয়েছে। আমরা কৃত্রিম উপায়ে কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোধন করে তৈরি করে নিতে শিখেছি অক্সিজেন-ফলে গাছের প্রয়োজন আমাদের কাছে ফুরিয়েছে। অপ্রতিহত নগরায়ণ করতে করতে আমরা ধ্বংস করে ফেলেছি সমস্ত গাছপালা-গাছের সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে সমগ্র বন্যপ্রাণ। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ধ্বংস হয়েছে-কংক্রিট আর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এক কাচের ঘেরাটোপে ঢাকা সবুজবিহীন সেই চরাচরে মানুষই একমাত্র প্রাণী।

একবার ভেবে দেখুন-এই ভবিষ্যৎ কি আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে উপহার দিয়ে যেতে চাই? নিশ্চয়ই না-কখনও না। আমরা চাইব উত্তর-প্রজন্মকে এক এমন পৃথিবীর শরিক করতে, যেখানে শহরে বা গ্রামে মানুষের সঙ্গেই সবুজের গহনে অবস্থান করবে বন্যপ্রাণ। কাচে ঢাকা দুনিয়ায় কীটের মতো না বেঁচে এমন এক পৃথিবীতে বাঁচতে, যেখানে বিরহীর কাছে তার প্রিয়তমার সংবাদ বয়ে নিয়ে আসবে বর্ষার কালো মেঘ। প্রকৃতি তার মায়াময় হাতে ভুলিয়ে দেবে মানুষের সব ক্লান্তি, দৈন্য, দুঃখ। শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখায় পাই-

“আকাশ তুমি বৃষ্টি দিলে

হৃদয় দিল হাওয়া,

অরণ্য তুমি সবুজ দিলে,

মাটিতে পেলাম ছায়া।

আঁধার তুমি নিদ্রা দিলে

আলো দিলে স্বপ্ন ছোঁয়া

পৃথিবী তুমি বাঁচতে দিলে

এ জীবন দেওয়া নেওয়া।

…………………..  (তুমি)

কল্পনা ছেড়ে বাস্তবের শক্ত মাটিতে পা রাখা যাক। অধুনা বিশ্বের যে দু’টি সমস্যা প্রতিনিয়ত সকলকে ভাবিয়ে তুলছে তার প্রথমটি হল অতি দ্রুত বনভূমির হ্রাস পাওয়া। এই লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, তখনও হয়তো আমাজনের আদিম অরণ্যের বুকে ধিকিধিকি করে জ্বলছে দাবানল। সভ্যতার ক্রমোন্নতির সঙ্গে সঙ্গে গ্রামীণ পরিবেশ ধ্বংস করে নগরায়ণের নেশায় সবুজ ধ্বংস হচ্ছে নির্বিচারে। সেই বিলুপ্ত অরণ্যরাজির জায়গায় গড়ে উঠছে ইঁট-কাঠ-পাথরের সাম্রাজ্য যার অহংকারী, উদ্ধতশির মেঘের ফাঁক দিয়ে আকাশ ছুঁতে চাইছে। এই নগরায়ণের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসাবে সারা পৃথিবী জুড়ে দেখা দিচ্ছে অনাবৃষ্টি এবং পানীয় জলের হাহাকার। পরিবেশবিদরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন এই সবুজহীন, জলবিহীন আগামী পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে।

দ্বিতীয় সমস্যাটি এর সঙ্গেই অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত-বিশ্ব-উষ্ণায়ন। নির্বিচারে বনভূমি ধ্বংস, জলের অপচয় এবং আবহাওয়া ও জলবায়ুর গড় হিসেবের ব্যাপক তারতম্য দেখা যাচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন আবহাওয়ার পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃতিও অনেক খামখেয়ালি হয়ে উঠছে। অকাল বর্ষণ, চরম শীত বা অসহ্য গরম ইত্যাদি আমরা একটু একটু করে উপলব্ধি করতে পারছি ইতিমধ্যেই। এর কুপ্রভাব এখনই আটকাতে না পারলে মানবসভ্যতা অদূর ভবিষ্যতে ধ্বংসের মুখোমুখি দাঁড়াবে। বনসৃজন এই বিশ্ব উষ্ণায়নের সঙ্গে লড়াইয়ের আমাদের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। গাছ লাগানো এবং তাকে বাঁচিয়ে রেখে বড় করে তোলা তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমাদের ভালবাসার উত্তরাধিকার।

আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে মানবোন্নয়ন প্রাকৃতিক ভারসাম্য রেখেই সর্বদা করা উচিত-নতুবা প্রকৃতির রুদ্র রোষের কষাঘাত নেমে আসতে পারে আমাদের সকলের উপর। তিনি তাই কৃষিজমি ধ্বংস করে বড় কল-কারখানা করার বিরোধিতা করেছেন বরাবর। এবছরও তিনি শত ব্যস্ততার মধ্যেও জল এবং সবুজ বাঁচানোর জন্য পদযাত্রা করেছেন। তাঁর জঙ্গল তথা প্রকৃতি প্রেম সুবিদিত। তাঁর লেখাতেও আমরা বারে বারে এই ভালবাসার প্রতিফলন দেখতে পাই। বনবিভাগের পক্ষ থেকে আমরাও তাঁর আদর্শ এবং অনুপ্রেরণাকেই হাতিয়ার করে এগোচ্ছি। তাঁর লেখা ‘বাদলবেলার কথা’-র সবুজের আলোমাখা এক অপূর্ব চিত্র পাই। কবিতাটি থেকে কয়েকটি পংক্তি তুলে দেওয়ার লোভ সামলাতে পারলাম না-

                “………সুখের আবেগ ছড়িয়ে আসে

                            সবুজ পাতায় ঘাসে ঘাসে,

                  শস্যশ্যামল সবুজ ঘেরা

                                     বাংলার নদী মাঠে।

                 বন হতে বনান্তরে

                            হাসির ঝিলিক উঁকি মারে,

                 নাচে ময়ূরী পেখম তুলে

                                   সব কিছু কাজ ভূলে।

                                              ……………….”

বনবিভাগের অনেকগুলি কাজের মধ্যে আজ দুটো প্রধান বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করব। প্রথমটি হল, বনসৃজন এবং দ্বিতীয়টি হল মানুষ এবং বন্যপ্রাণীর দ্বন্দ্ব নিরসন করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ।

আয়তন অনুসারে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের একটি মাঝারি মাপের অঙ্গরাজ্য হলেও, প্রাকৃতিক বৈচিত্রে কিন্তু বাংলা-প্রকৃতির ভাণ্ডার অফুরন্ত। উত্তরের পার্বত্য নাতিশীতোষ্ণ বনাঞ্চল থেকে শুরু করে সুন্দরবনের বাদাবন, মধ্যে গ্রীষ্মপ্রধান বৃষ্টিময় চিরহরিৎ বনভূমি ও শুষ্ক পর্ণমোচি বনভূমি পশ্চিমবঙ্গকে জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলছে। আমাদের মুখ্য কাজ যে বনাঞ্চল ইতিমধ্যেই আছে, তাকে বজায় রেখে বাংলাকে আরও সবুজ করা- যেসব জায়গায় বনাঞ্চল হ্রাস পেয়েছে সেসব জায়গায় নতুন করে বনসৃজন করা। শহর এবং গ্রামে উপযুক্ত জায়গায় বা নতুন উদ্যান তৈরি করে গাছ লাগানো তথা সৌন্দর্যায়ন, তার রক্ষণাবেক্ষণ করা। গাছ আমাদের কী উপকার করে- বেশি করে গাছ লাগানো কেন দরকার, সে আলোচনা নতুন করে করার কিছু নেই- আমরা সকলেই কমবেশি জানি। আমাদের বাংলায় নথিভুক্ত বনভূমির ভৌগোলিক পরিমাণ ১১,৮৭৯ বর্গকিলোমিটার, যা রাজ্যের ভৌগোলিক আয়তনের ১৩.৩৮%, যদিও ভারত সরকারের বন ও পরিবেশ মন্ত্রকের অধীনস্ত ফরেস্ট সার্ভে অফ ইন্ডিয়া কর্তৃক প্রকাশিত ‘ভারত রাজ্যের বন প্রতিবেদন – ২৯১৭’ অনুযায়ী, রাজ্যের মোট বনাচ্ছাদন (বনাঞ্চলের ভিতরে এবং বনাঞ্চলের বাইরের বৃক্ষ আচ্ছাদিত অঞ্চলের) অর্থাৎ মোট সবুজের পরিমাণ ১৮ হাজার ৯৮৩ বর্গ কিলোমিটার, যা রাজ্যের ভৌগোলিক আয়তনের ২১.৩৯%। আপনাদের জানলে ভাল লাগবে ২০১৫ সালের থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে মোট সবুজের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ৬৩ বর্গ কিলোমিটার- আমাদের রাজ্যের মতো বিপুল জন-ঘনত্বের রাজ্যের পক্ষে এই বৃদ্ধি যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। এই বন ও বৃক্ষ-আচ্ছাদিত অঞ্চল পুনরুদ্ধার এবং ক্ষয়প্রাপ্ত বনাঞ্চলের পুনরুজ্জীবন কিন্তু সম্ভব হয়েছে জনসাধারণকে বনবিভাগের প্রচেষ্টায় শামিল করে। সমাজভিত্তিক বনসৃজন কর্মসূচিতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং পাশাপাশি যৌথ বন পরিচালনা ব্যবস্থার দ্বারা আমরা এই বিপুল সাফল্য লাভ করেছি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ আমাদের রাজ্যের যৌথ বন পরিচালনা ব্যবস্থার অনুকরণে এখন সাফল্য পাচ্ছে।

বাংলার জীববৈচিত্রও আমাদের অন্যতম গর্বের বস্তু। সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার থেকে শুরু করে জলদাপাড়ার একশৃঙ্গ গন্ডার, তরাই-এর চিতা থেকে হাতি, সবমিলিয়ে বাংলার জীববৈচিত্র ঈর্ষণীয়। পাখি এবং প্রজাপতিরও বিচিত্র ভাণ্ডার আমাদের এই রাজ্যে। বন্যপ্রাণী আর মানুষের সহাবস্থান আমাদের এই বাংলায় স্মরণাতীত কাল থেকে চলে এসেছে। কিন্ত নগর-সভ্যতার বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে বনের আয়তন ক্রমশ কমে এসেছে- বন্যপ্রাণীদের খাদ্যের জোগান কমেছে এবং তাদের পরিসর ক্রমশ সংকুচিত হয়েছে। তাদের আবাসস্থল এবং খাদ্য সংগ্রহের পন্থা যদি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে নিরুপায় হয়ে বন্যপ্রাণীরা এসে পড়ে মানব বসতিতে। কখনও বাধ্য হয়ে তারা নিজেদের প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে বা কখনও খাদ্য সংগ্রহের চেষ্টায়, আক্রমণ করে মানুষজনকে, ক্ষতিগ্রস্ত করে চাষের জমি বা ফসলের খেত। ফলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, আর সেই সংঘর্ষে বন্যপ্রাণী এবং মানুষ, দু-পক্ষেরই ক্ষয়ক্ষতি হয়, প্রাণ যায়। উত্তরবঙ্গে চা-বাগানগুলিতে চিতার হানা, উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গে হাতির ফসল নষ্ট করা এবং মানুষ মারা এর উদাহরণ। আবার মানব সভ্যতার ধ্বজা উড়িয়ে তরাইয়ের জঙ্গলের বুক চিরে চলে যাওয়া ট্রেনলাইনে, রেলে কাটা পড়ে প্রাণ হারাচ্ছে হাতি, বাইসন। অন্যদিকে, সুন্দরবন অঞ্চলে বন্যার জলে নদীবাধ ভেঙে সাগরের লবণাক্ত জল চাষের জমিকে প্লাবিত করছে- সেই জমি চাষের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ছে। চাষিরা কাজ হারাচ্ছেন, অনেক সময়ই দেখা যাচ্ছে গ্রাসাচ্ছাদনের জন্য হয়তো নিরুপায় হয়েই, অনেকে মধু বা অন্যান্য বনজ সম্পদের খোঁজে ঢুকে পড়ছেন সুন্দরবনের নিষিদ্ধ কোর এলাকার (Core Area) গহন জঙ্গলে। মাছের খোঁজে নথিবদ্ধ বৈধ এবং অনথিবদ্ধ, ফলত অবৈধ, মৎস্যজীবীরাও একই ভুল করছেন নদীর খাড়ি বেয়ে গভীর জঙ্গলে ঢুকে পড়ে। এর ফলে বাঘের আক্রমণে প্রতিবছরই কিছু না কিছু মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। যে কোনও মৃত্যুই অনভিপ্রেত, দুঃখের। কিন্তু খুব সাধারণভাবে যদি চিন্তাভাবনা করা যায়, তাহলেই বোঝা যায়- মানুষ, বনভূমি এবং বন্যপ্রাণ একে অপরের পরিপূরক। বনভূমি ধ্বংস হলে তার প্রভাব সরাসরি পড়ে বন্যপ্রাণীদের উপর। ফলে মানুষের সঙ্গে বন্যপ্রাণীদের সহজ সম্পর্ক আস্তে আস্তে বৈরিতায় পরিণত হয়েছে।বনবিভাগের পক্ষ থেকে আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নিয়েছি এই সম্পর্ককে আবার আগের জায়গায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মানবিক নেতৃত্বে বন্যপ্রাণী-মানুষ সংঘর্ষ আমরা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনতে পেরেছি। যেসব ক্ষেত্রে অরণ্যপ্রান্তবাসী মানুষের প্রাণহানি বা আহত হওয়ার ঘটনা ঘটছে, বনবিভাগের আধিকারিকরা অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে সেখানে পৌঁছে যাচ্ছেন। তাঁরা আহতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছেন বা মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। প্রদেয় সরকারি আর্থিক সাহায্যও অতি দ্রুততার সঙ্গে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। বন্যপ্রাণীর ক্ষেত্রেও আমরা মৃত্যুর ঘটনা অনেক কমিয়ে আনতে পেরেছি। বনবিভাগের পক্ষ থেকে আমরা আহত প্রাণীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করি, লোকালয় থেকে তাদের উদ্ধার করে প্রাথমিকভাবে আশ্রয়শালা এবং পরবর্তীকালে তাদের নিজস্ব আবাসস্থলে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করি। এছাড়াও বিভিন্ন বিরল এবং বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির প্রজননকেন্দ্র আমরা স্থাপন করেছি, যেখানে বিশ্বমানের কাজ হচ্ছে এবং এইসব প্রাণীর বংশবিস্তার করানো হচ্ছে।

 আগামী প্রজন্মকে একটা সুস্থ ও সুন্দর পৃথিবী উপহার দিতে হলে, এ ধরণীকে তাদের কাছে বাসযোগ্য করে রেখে যেতে হলে, এই মুহূর্ত থেকেই আমাদের সচেতন হতে হবে। তা না হলে পরবতী প্রজন্ম সুজলা-সুফলা-শস্যশ্যামলা ধরণীর কথা কেবল কাগজে-কলমে জানবে। বনবিভাগের পক্ষ থেকে আমাদের সারা বছরই বন এবং বন্যপ্রাণের বিকাশের প্রচেষ্টা থাকে- প্রচেষ্টা থাকে বন এবং বন্যপ্রাণীর সঙ্গে মানুষের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের কথা নতুন করে মনে করিয়ে দেওয়ার- নতুন উদ্যমে বনসৃজন করার-বাংলাকে আবার সবুজ করার। আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূরদর্শী এবং মানবিক নেতৃত্বে এবং বনবিভাগের অসংখ্য কর্মী এবং আধিকারিকের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমরা সোনার বাংলাকে সবুজ বাংলা করে গড়ার পথে এগোচ্ছি। আমাদের আহ্বান আপনাদের কাছে- আমাদের এই উদ্যোগে আপনারাও শামিল হোন- আসুন একসঙ্গে অঙ্গীকার করি ভবিষ্যতের পৃথিবীকে শিশুদের বাসযোগ্য রাখার।

 শেষ করি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ‘সরে যাক’ কবিতাটির আশার বাণী দিয়ে-

     “এই পৃথিবীর অন্ধকারগুলো

                সরে যাক।

                পড়ে থাক

                আলোর ভোর।

                সত্যানুসন্ধান,

                অন্ধকূপ গর্ত

                বুজে যাক,

                খোলা থাক

                সভ্যভূমি।”

                 ……………।

This post is also available in: English

Subscribe to Jagobangla

Get the hottest news,
fresh off the rack,
delivered to your mailbox.

652k Subscribers

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial