সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বৈরাচার, বিপন্ন দেশের গণতন্ত্র

পূর্ণেন্দু বসু 

বৃহত্তর গণতন্ত্রের পরীক্ষিত দেশ ভারতভূমি। আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিয়ে যথেষ্ট বড়াই করেন শাসকরা। ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থা মানেনি এই দেশ। গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার হয়েছিল দেড়-দু’বছরের মধ্যেই। তারপর কেটে গিয়েছে চার-চারটি দশক। এই সময়কালে মোদি জমানা শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত গণতান্ত্রিক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে বড় ধরনের আঘাত নামেনি। এনডিএ শাসিত বাজপেয়ীজির সময়েও সংসদীয় গণতন্ত্র মোটামুটিভাবে চালু ধারা হিসেবে বজায় ছিল। গণতন্ত্র ধ্বংসকারী কুলক্ষণগুলি নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ জুটির আমলে একের পর এক প্রকাশ্যে আসছে এবং গণতান্ত্রিক কাঠামো দুর্বল হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রীয়তা হচ্ছে গুরুত্বহীন।

ভারতীয় গণতন্ত্রের কফিনে পেরেক ঠোকার কাজ সাম্প্রতিক সংসদের অধিবেশনে যেভাবে জোরদার হয়েছে-তা সংসদীয় গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক বিধি-ব্যবস্থার ভবিষ্যতকে চরম অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিল। আমরা জম্মু কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা লোপ-সহ একের পর এক বিল পাস করিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে যে প্রক্রিয়া পদ্ধতির অনুসরণ দেখলাম, তাকে সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বৈরাচার ছাড়া কিছু বলা যায় না। বোঝা গেল, বিপুল নির্বাচনী সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে হিন্দুত্ববাদীরা এবার নিজস্ব অ্যাজেন্ডার রূপায়ণে ঝাঁপিয়ে পড়বে। এটাই তো স্বাভাবিক। জম্মু-কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা, তিন তালাক রদ, তথ্যের অধিকার, আইনের সংকোচন, ওয়েজ বিল, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থারও বিলগ্নিকরণ-সই সবকটি বিলের ক্ষেত্রেই দেখা গেল একটা গা-জোয়ারি ভাব। সংসদীয় রীতিনীতি লঙ্ঘনের এতবড় দৃষ্টান্ত এই অল্প সময়ে এর আগে দেখা যায়নি।

সরকার পক্ষের প্রস্তাব নিয়ে তর্ক-বিতর্ক হবে। যে-সব ক্ষেত্রে বিতর্ক যথেষ্ট জোরালো সেক্ষেত্রে বিশেষ কমিটির কাছে সংশ্লিষ্ট বিষয়টি পাঠিয়ে দেওয়া, বিতর্কের জন্য যথাযথ সময় দেওয়া, বিরোধীপক্ষের মতকে গুরুত্ব দেওয়া-এসবের ধার ধারেনি শাসকরা। যেভাবে হোক চটজলদি সিদ্ধান্ত নিতেই হবে-এই তাড়না থেকে পরিচালিত হল সংসদ। সংবিধানকে সামনে রেখেই মানা হল না সংবিধানের দিকনির্দেশ। লাঞ্চিত হল সংবিধানের মর্মবস্তু। পঙ্গু করে দেওয়া হল গণতন্ত্র তথা বিরোধী শক্তির মত প্রকাশের অধিকারকে। আনুষ্ঠানিক আচারসর্বস্ব গণতন্ত্রের নামে লাঞ্ছিত করা হল গণতন্ত্রের প্রকৃত সত্তাকে। প্রতিষ্ঠিত হল সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বৈরাচার।

মনে রাখা দরকার,  গণতন্ত্র একদিকে যেমন সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন, তেমনই অন্যদিকে তা সংখ্যালঘুর সুরক্ষা প্রদান করে। এই দুইয়ে মিলেই গণতন্ত্র। বিরোধীদের মতামত সংসদে গুরুত্বই পেল না, শাসকরা কেবল ভোটাভুটিতে সবকিছুর নিষ্পত্তি করে নিল। এটাই সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বৈরাচার। আমাদের উদ্বেগের আরও বড় কারণ হল রাজ্যসভায় সংখ্যালঘু হয়েও সবকটি বিল পাসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন। এই ফ্লোর ম্যানেজমেন্ট কীভাবে সম্ভব হল? বড় বড় বরোধী দলগুলির সাংসদরা ভোটের সময় অনুপস্থিত থাকলেন কেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরিচালিত সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া ধারাবাহিকভাবে জোরালো বিরোধিতার রাস্তায় গেল না কেন অন্য দলগুলি? এক্ষেত্রে সিবিআই-ইডির ভয় দেখানোর অভিযোগকে অস্বীকার করা যায় না। এই অনৈতিকতা গণতন্ত্রের পাঁজরে ছোরা মারার শামিল।

বিরোধী দলগুলি জানত যে – এতদিন হিন্দুত্ববাদীদের যা কিছু গোপন অ্যাজেন্ডা ছিল, এবার তো তাঁদের সেই প্রধান প্রধান অ্যাজেন্ডাগুলি তারা বাস্তব রূপায়ণে নিয়ে আসবে। হিন্দুত্ববাদীরা এ বিষয়ে ধারাবাহিকতা অনুসরণ করে চলছে। তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া বাকি বিরোধীদের বিরোধিতার সেই ধারাবাহিকতা কোথায়? কোথায় সেই গণতান্ত্রিক প্রস্ততি?

গণতন্ত্র রক্ষা ও মজবুত করার ক্ষেত্রে বিরোধীরা একটা বড় স্তম্ভ। সংসদে প্রধান বিরোধী দল যে রকম ছন্নছাড়া ও অপ্রস্তুত, তাতে গণতন্ত্র আরও দুর্বল হবে। মানুষের আশাআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে পার্লামেন্টে বিরোধীরা। ব্যাপক জনবিচ্ছিন্নতা এবং দলের বেহাল অবস্থা সে কাজ করতে দিচ্ছে না। ফলে সংসদ হয়ে পড়ছে একপাক্ষিক। বিরোধী শক্তির সংহতি ও ধারাবাহিক দৃঢ় পদক্ষেপ ছাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় স্বৈরাচার মাথাচাড়া দেবেই। তাই উদ্বেগ বাড়ছেই।

কাশ্মীর ইস্যুই ধরা যাক। মোদি শাহ জুটি যে দ্রুততার সঙ্গে সংবিধানের ৩৭০ এবং ৩৫(ক) ধারা বিলোপ করে দিল তাতে অনেকের বিস্ময়ের ঘোর কাটেনি। এই কাজটি যে তারা করে উঠবে তাও হয়তো অনেকে ভাবেননি। কিন্ত, বিরোধীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সে কাজও অবলীলায় করে ফেলল শাসকরা।

আমরা কী দেখলাম? সাধারণ কাশ্মীরি মানুষের ইচ্ছা-অনিচ্ছা রইল উপেক্ষিত। একনাগাড়ে চলছে মিথ্যা ইতিহাসের প্রচার। তা সত্বেও মোদি-শাহ জুটির সিদ্ধান্ত কার্যকরী হয়ে গেল। বিরোধীতা বিক্ষিপ্ত, বিচ্ছিন এবং একেবারেই অপর্যাপ্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একমাত্র নেত্রী যিনি তাঁর আত্মগ্লানি স্বীকার করেছেন। তাঁর অসহায়তা প্রকাশ করে দুঃখ ব্যক্ত করেছেন। কাশ্মীরি মানুষের ইচ্ছা-অনিচ্ছার প্রশ্নটি সামনে এনেছেন।

মানুষের ইচ্ছা-অনিচ্ছা ও সামাজিক নৈতিকতার কি কোনও দাম নেই? কঠোরভাবে কার্ফু জারি করে দিনের পর দিন সাধারণ মানুষকে অবর্ণনীয় কষ্ট দেওয়া হচ্ছে। তার প্রয়োজন পড়ল কেন? সাহস থাকলে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে দেওয়া হোক। শুধুমাত্র শাহ-মোদির গুণগান আর হিন্দুত্ববাদী লম্ফঝম্ফ আর কত দেখতে হবে? মিথ্যা ইতিহাস প্রচারেরও তো একটা সীমা থাকা দরকার। বলা হচ্ছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন পূরণ হল। গণপরিষেদ যখন ৩৭০ ধারা গৃহীত হয় শ্যামাপ্রসাদ তার সদস্য। বিতর্ক হয়েছিল মূলত রাজা হরি সিং-এর দেওয়ান এবং নেহরু মন্ত্রিসভার দফতরহীন মন্ত্রী এন গোপালস্বামী আয়েঙ্গারের সঙ্গে শেখ আবদুল্লার। মধ্যস্থতা করেন নেহরু। শ্যামাপ্রসাদও তখন নেহরু মন্ত্রিসভার সদস্য। তিনি কোনও ভূমিকাই পালন করেননি। পরোক্ষভাবে ৩৭০-কে সমর্থন করেছিলেন। এরপর ১৯৫০-এ উদ্বাস্তু কমিশন নিয়ে নেহেরু-লিয়াকত চুক্তির বিরোধিতা করে পদত্যাগ করেন তিনি। ১৯৫১-তে জনসংঘ তৈরি হওয়ার আগে পর্যন্ত তিনি কার্যত দলছাড়া নেতা। জম্মুর সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতা বলরাজ মাধোকের অনড় মনোভাবের কারণে ৩৭০ বিলোপ এবং অখণ্ড কাশ্মীরের সম্পূর্ণ ভারতীয়করণের দাবি জনসংঘের অ্যাজেন্ডাভূক্ত হয়। শ্যামাপ্রসাদ তা মেনে নেন।

সবথেকে বড় প্রশ্ন, ৩৭০ ধারা ও ৩৫-ক ধারার বিলুপ্তির ফলে কাশ্মীরি মানুষের কতখানি উপকার হবে? এই ধারাগুলি থাকা অবস্থায় কাশ্মীরিদের কী সুবিধা হচ্ছিল? ৩৭০ ধারার দৌলতে রাজ্য সরকারের অসহযোগিতায় কেন্দ্রীয় কল্যাণমূলক আইনও রাজ্যে নাকি বলবৎ করা যায়নি। প্রশ্ন ওঠে মেহবুবা মুফতির সময় বিজেপি কেন সেই উন্নয়নের দরজা খুলে দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাম্প্রতিক ভাষণে বলেছেন যে, ৩৭০ ধারা বিলোপের পর উপত্যকায় বেসরকারি লগ্নি আসবে। এবং তাতেই নাকি উন্নয়ন হবে! গোটা দেশে তো ৩৭০ ধারা নেই, তাহলে লগ্মির অভাবে নাভিশ্বাস উঠছে কেন? কাশ্মীরে কীভাবে লগ্নি উপচে পড়বে-তার কোনও উত্তর নেই শাসকদের কাছে।

যখন এই রাজ্যকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অধঃপতিত করা হল, এবং বলা হল-রাজ্য সরকার উন্নয়ন করতে পারেনি। কেন্দ্র রাশ ধরলে কাশ্মীরে উন্নয়নের জোয়ার বইবে। তখন সেই বলা কথাটি যে সরাসরি ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রীয় দর্শনের পরিপন্থী-সে কথা নরেন্দ্র মোদিকে বোঝাবে কে?

কাশ্মীর সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘রসিকতা’ করে লেখা হচ্ছে কাশ্মীরে জমি কেনা চলবে; এবং ‘ফর্সা’ কাশ্মীরি মহিলাদের বিয়ে করা সম্ভব হবে। বিজেপির নেতারাও এহেন রসিকতা করছেন। ইতিহাস সাক্ষী, কোনও ভূখণ্ড জয় করলে সেখানকার মাটি ও নারীর উপর জয়ীর অধিকার বর্তায়। তাই কী বিজেপির নেতা ও অনুগামীরা কাশ্মীরের ঘটনাক্রমকে দখল হিসাবেই দেখছেন? হয়তো তাই। হয়তো ভাবছেন ভারতের কাশ্মীর দখল সফল হল।

আর একটি বিষয় উল্লেখ করতে চাই। ভারতের প্রাক্তন অর্থ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পালনিয়াপ্নন চিদম্বরমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যে অভিযোগের ভিত্তিতে চিদম্বরমকে এমন নাটকীয় ভঙ্গিতে গ্রেফতার করল সিবিআই, বিজেপির একাধিক নেতার বিরুদ্ধে তার সমান বা গুরুতর অভিযোগ আছে। যেমন, কর্ণাটকের বি এস ইয়েদুরাপ্পা চতুর্থবার মুখ্যমন্ত্রী হলেন। তাঁর বাড়ি থেকে বিপজ্জনক নথি উদ্ধার হয়েছে। তিনি জমি এবং খনি, দুটি বড় কেলেঙ্কারিতে জড়িত। অথচ মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এখনও পর্যন্ত সিবিআই সে বিষয়ে নীরব। যেমন, শিবরাজ সিংহ চৌহান, ব্যাপম কেলেঙ্কারির ঘটনায় সিবিআই তার কোনও দোষ খুঁজে পায়নি। যেমন, গৈরিকবর্ণ ধারণকারী বিজেপিতে যোগ দেওয়া তৃণমূল নেতা-এখন আর ইডি দফতরের ডাক পান না। এরকম আরও অনেক নাম আছে। কেন এই দ্বিচারিতা?

যে কায়দায় চিদম্বরমকে গ্রেফতার করা হল, কোনও সন্ত্রাসবাদীকে হাতের কাছে পেলে সম্ভবত সেভাবে গ্রেফতার করা হয়। প্রাক্তন মন্ত্রী চিদম্বরম অগ্রিম জামিনের আবেদন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। যা সকল নাগরিকের অধিকার। তিনি কি দেশ ছেড়ে পালানোর মতলবে ছিলেন? সেই কারণেই কি এই অভিযান? কেউ পালিয়ে যাওয়ার ফিকির করলেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা তার বাড়ির পাঁচিল টপকে ভিতরে ঢোকে-একথা বললে বিজয় মালিয়া আর নীরব মোদি তো অট্টহাস্যে মুখর হয়ে উঠবেন। তাই, মধ্যরাত্রির এই মহাতৎপরতার কারণটি আসলে রাজনৈতিক। সিবিআই এই অভিযোগ অস্বীকার করতে পারবে না। সম্প্রতি প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ খেদ প্রকাশ করে বলেছেন- রাজনৈতিক প্রশ্নে সিবিআই তদন্ত আদালতের মানদণ্ডে অনুত্তীর্ণ। প্রধান বিচারপতির উক্তিটি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। একথা স্পষ্ট করেই বলা যায় যে, রাজনৈতিক নির্দেশে পরিচালিত হতে হতে সিবিআইয়ের মত প্রতিষ্ঠান নিজের কষ্টার্জিত দক্ষতা হারিয়ে ফেলছে। এটা বড় দুর্ভাগ্যের বিষয়। বিরোধীদের ভয় পাওয়ানো যে সিবিআইয়ের কাজ হতে পারে না, শাসকদের মুখের উপর এই কথাটি বলার মতো জোর সম্ভবত সিবিআই কর্তাদের নেই। অভিযোগ উঠছে, বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ন’বছর আগের প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই চিদম্বরমকে হয়রান করছেন। এই অভিযোগের সত্যাসত্য বিচার করা আমাদের কাজ নয়। তবে প্রশ্ন থেকেই যায়, এ হেন অভিযোগ ওঠাই কি বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের পক্ষে যথেষ্ট লজ্জার নয়? এখানেও সেই সংখ্যাগরিষ্ঠের স্বেচ্ছাচার। প্রতিপদে বিপন্ন গণতন্ত্র।

পরিশেষে আর একবার বলি কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের সঙ্গে আলোচনা না করে, তাদের মতামতের বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে রাজ্যটিকে দ্বিখন্ডিত করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে নিয়ে তাকে বানিয়ে দিল কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। কাশ্মীরের সাধারণ মানুষের পক্ষে এই সিদ্ধান্তগুলি অত্যন্ত অপমানজনক। তবে, এই সিদ্ধান্ত যে শুধু কাশ্মীরের পক্ষেই বিপজ্জনক, তা নয়। গোটা দেশের পক্ষেই এর তাৎপর্য বিপুল। সিদ্ধান্তটি এক মারাত্মক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। ভারতীয় গণতন্ত্রকে, বস্তুত তার অস্তিত্বকেই বিপন্ন করল এই সিদ্ধান্ত।

 

This post is also available in: English

Subscribe to Jagobangla

Get the hottest news,
fresh off the rack,
delivered to your mailbox.

652k Subscribers

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial