বিজেপির মেয়াদ শেষ, উনিশে নতুন সরকার

জনপ্লাবনে মমতার ডাক

১৯শে জানুয়ারি ওইতিহাসিক ব্রিগেড সমাবেশে জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণ—আমাদের রাজ্যের সভাপতি সুব্রত বক্সি, সমস্ত নেতৃবৃন্দ, শরদ যাদবজি, দেবগৌড়াজি, শরদ পাওয়ারজি, অখিলেশ, সতিশজি, অভিষেক, সতিশজি, অভিষেক মনু সংভিজি, খাড়্গেজি, ওমর আবদুল্লা, ফারুক আবদুল্লাজি, ফারুক আবদুল্লাজি, গেগং আপাংজি, লালডুমওয়াহাজি, হেমন্ত সোরেনজি, জয়প্রকাশ যাদবজি, শত্রুঘ্ন সিনহাজি, হার্দিক, জিগনেস, বদরুদ্দিন তাজমলজি, চন্দ্রবাবু নাইডু, কুমারস্বামীজি, আমার সব বন্ধু ও মা-ভাই-বোনেরা আমি কৃতজ্ঞ সবার কাছে। এই ইউনাইটেড ইন্ডিয়ার র‍্যালি গোটা দেশের মঞ্চ। কথায় বলে, সারে জাঁহাসে আচ্ছা হিন্দুস্তাঁ হামারা। এটা তারই ছবি। ২৩-২৪টি এই র‍্যালিতে অংশ নিয়েছে। আগামিদিনে মোদিবাবুর এক্সপায়ারি ডেট এসে গিয়েছে। ওষুধের যেমন এক্সপায়ারি ডেট হয়, তেমনই। ওঁর এক্সপায়ারি ডেট শেষ হয়ে গিয়েছে। যে দিন আসছে, সে দিন নতুন কিছু নিয়ে আসছে। নতুন সকাল আসছে। আর আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ যে, আমরা একসঙ্গে কাজ করব।

বাংলার মাটি পবিত্র মাটি। আমার সংস্কৃতি জগতের মানুষ, সাহিত্যিক, শিল্পী, নাট্যকার, যাত্রা, খেলাধুলার জগতের মানুষ, সাংসদ, বিধায়ক বিভিন্ন জগতের মানুষ সবাই এসেছেন। আমি আপনাদের সাক্ষী রেখে বলি। মনে রাখবেন বাংলার মাটি স্বাধীনতা আন্দোলনে পথ দেখিয়েছে। নব জাগরণে পথ দেখিয়েছে। ভারতবর্ষে যখনই কোনও বিপিদ এসেছে, তখনই কিন্তু বাংলার মাটি পথ দেখিয়েছে। মনে আছে শুধু জনজাগরণ নয়, নবজাগরণ নয়, স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে সংস্কৃতি আন্দোলন সভ্যতার আন্দোলন — সব আন্দোলনে বাংলা পথ দেখিয়েছে।

অরবিন্দ কেজরিওয়াল যেমন বললেন, ৭০বছরে পাকিস্তান যা করতে পারেনি, গত ৫ বছরে মোদি সরকার তা-ই করে দেখিয়েছে। একে অপরকে ভেঙে দিয়েছে। সব প্রতুষ্ঠান নষ্ট করে দিয়েছে। একটা বিদ্বেষ পলিটিক্স শুরু করেছে। ব্যাঙ্ক, ধুঁকছে, বাজার ধুঁকছে। দাম বাড়ছে। বিজেপি হাসছে। সারা ভারতকে সর্বস্বান্ত করে দিচ্ছে। দাঙ্গায় ভারত সর্বস্বান্ত আর বিজেপি দাঙ্গায় ব্যাস্ত। বাজারে লেগেছে আগুন। জাগুন বাংলা জাগুন। জাগুন ভারতবর্ষ, জাগুন। জাগুন, মানুষ জাগুন। মনে রাখবেন ব্যাঙ্কে ধস, সিবিআইয়ে ধস, আরবিআইয়ে ধস, ট্যাক্সে ধস, ইকোনমিতে ধস, গণতন্ত্রে ধস। শুধু বিজেপি বস। এরকম চলতে পারে কখনও? কিছুতেই চলতে পারেনা এজিনিস। মনে রাখবেন লুটের টাকায় ভোট, লুঠছি সব নোট। ডিমোনিটাইজেশন থেকে শুরু করে, জিএসটি থেকে শুরু করে ভারতবর্ষটাকে লুঠ করে নিল। আর বলছে অল আর কোরাপটেড। হি ইস অনলি অনেস্ট ম্যান। অ্যান্ড অল আর ডিজ-অনেস্ট। আমি বলি, সরকারটা পড়ুক একবার, বুঝতে পারবেন।

জনধন বিগ স্ক্যান্ডাল। রাফাল বিগ স্ক্যান্ডাল। ইন্সিওরেন্স বিগ স্ক্যান্ডাল। অল মেনি স্ক্যান্ডালস থিংস হ্যাপেন্ড ইন দিস কান্ট্রি। মনে রাখবেন চোরের মায়ের বড় গলা। অনেস্টি দেখাচ্ছে। কীভাবে ইলেকশনের নামে টাকা লুঠ করছে? কীভাবে হয় এত টাকা? কত টাকা বিদেশে রেখেছে? কত টাকা ওদের ছিল আর এই পাঁচ বছরে কত ড়াকা হয়েছে? শপিং মল পার্টি অফিস। শপিং মল হয়ে গিয়েছে সব ওদের সব জায়গা। আমি ব্যাক্তিগতভাবে কারও বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাই না। এটা আমার কালচার নয়। কিন্তু মনে রাখবেন, আপনারা কাউকে ছাড়েননি। পলিটিক্সে একটা কার্সি আছে। আপনি কার্সি জানেন না। পলিটিক্সে একটা লক্ষণ্রেখা আছে। আপনারা লক্ষণ্রেখা মানেন না। আপনি সোনিয়াজিকে ছাড়েননি। লালুজিকে ছাড়েননি। অখিলেশকেও ছাড়েননি। আপনি মায়াবতীজিকেও ছাড়েননি। আপনি আমাকেও ছাড়েননি। কাউকেও ছাড়েননি। আপনাকে কেন ছাড়ব আমরা?

যতক্ষণ আপনার সঙ্গে আছে, ততক্ষণ সব ঠিক আছে। আর আপনার সঙ্গে না থাকলেই সে চোর। আপনার সঙ্গে থাকলেই সবাই বিশ্বস্ত। আর না থাকলেই সব বদমাশ। যা ইচ্ছা তাই করে যাচ্ছেন। বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ। ভয় দেখাচ্ছে। এলাকায় এলাকায় ছবি দিয়ে বেড়াচ্ছে। বিমার টাকা দিচ্ছে কে? টাকা দিচ্ছি আমরা, আর ছবি বিলোচ্ছে বিজেপি। বুঝুন। চাষির খাজনা মেটাচ্ছি আমরা

This post is also available in: English

Subscribe to Jagobangla

Get the hottest news,
fresh off the rack,
delivered to your mailbox.

652k Subscribers