বিজেপিকে ভোটেই জবাব দেবে মানুষ: মমতা

তৃণমূল ইস্তাহার প্রকাশ করার পর সাংবাদিক সম্মেলনে এই লোকসভা নির্বাচনে দলের কর্মসূচি, বক্তব্য তুলে ধরলেন জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রতিটা রাজ্যের নিজস্ব কিছু বিষয় থাকে। কিছু সেন্টিমেন্ট থাকে। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে একটা এজেন্ডা আছে। প্রতিটা রাজ্য নিজের মতো ইস্তাহার প্রকাশ করে। যেহেতু আমরা ইউনাইটেড ইন্ডিয়া গঠন করব ঐক্যবদ্ধ ভারতের ছবি হবে সেটা। সেহেতু একটা নূন্যতম সাধারণ কর্মসূচির উপর ভিত্তি করে সরকার হবে। সবার সঙ্গে আলোচনা না করে একার মত সবার উপর চাপিয়ে দিতে পারি না। এটা কাম্য নয়। এটা আমাদের দলের মত। বাদবাকি সর্বভারতীয় স্তরে কেন্দ্রীয় সরকার তৈরী হলে সবাই মিলে বসে নূন্যতম সাধারণ কর্মসূচি করব। সেখানে আমরা সর্বভারতীয় ইস্যুগুলোকে রাখব। রাজ্যের ইস্যুও থাকবে।

এই ইস্তাহার আমরা বিভিন্ন ভাষায় করেছি। বাংলা, হিন্দি, অলচিকি, উর্দু-সহ নানা ভাষায়। কিছু ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। দার্জিলিং, জঙ্গলমহল, ছাত্র-যুব, মহিলা সংরক্ষণ, কৃষক, শ্রমিক, তফসিলি, জাতি-উপজাতি, সর্বধর্ম সমন্বয়, একতা, সংহতি, সংস্কৃতি, শিল্প সব কিছুকেই আমরা গুরুত্ব দিয়ে রেখেছি।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আগে দেখা যাক। নোটবন্দি কার স্বার্থে হয়েছিল? কেন হয়েছিল? আমাদের দাবী থাকবে তদন্ত করার। সুপ্রিম কোর্টের কোনও প্রাক্তন বিচারপতিকে দিয়ে এই তদন্ত করা হোক। কত টাকা দেশের বাইরে গিয়েছে। কার কালো টাকা সাদা হয়েছে সব দেখা হবে। নূন্যতম সাধারণ কর্মসূচি যখন তৈরী হবে, এই দাবী রাখব।

দেশের ছাত্র-যৌবনকে বেশি করে কর্মসংস্থান দেওয়া আমাদের লক্ষ্য। ২০১৭-১৮ তে দেখেছেন, কর্মসংস্থান হওয়া তো দূরের কথা,দুকোটি মানুষ চাকরি হারিয়েছে। বাংলায় আমরা গর্ব করে বলতে পারি, আমরা বাংলায় ৪০% কর্মসংস্থান বাড়িয়েছি।

তফসিলি জাতি-উপজাতি, সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত আসন পূর্ণ করার উপর জোর দেওয়া হবে। তাদের চাকরি থেকে শুরু করে ব্যাকলগ স্পেশ্যাল ডাইভ হবে।

কৃষকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা ও জীবিকা নির্বাহের জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলায় ইতিমধ্যে সেই ব্যবস্থা হয়েছে। জমির মিউটেশন ফি মুকুব করা থেকে শুরু করে, শস্যবীমা কম দামে যাতে শস্য বিক্রি করতে তারা বাধ্য না হয় সবটা করে দেওয়া হয়েছে। কৃষক মৃত্যুর উপরও পরিষেবা আছে। সারা ভারতের মধ্যে একমাত্র বাংলাতেই কৃষকদের ইনকাম বেড়েছে তিনগুণ। কেন্দ্র সরকার বড় বড় কথা বলে। অথচ, তাদের কৃষিকর্মণ পুরস্কার বারবার বাংলা পেয়েছে। রাজনীতির কারণে যা ইচ্ছা বলে যাবে, সেটা ঠিক নয়। যেখানে দেশে প্রায় ১২ হাজার কৃষক আত্মহত্যা করেছে। আমরা মনে করি কৃষক কল্যাণে ভালো প্যাকেজ করা উচিত।

অসংগঠিত ক্ষেত্রে সামাজিক সুরক্ষার দিক দেখা হবে। বাংলায় ৯০ লক্ষ শ্রমিককে নিয়ে এই কর্মসূচি নিয়েছি।তারা ২৫ টাকা দিলে আমরা ২৫ টাকা দিই। পেনশন, মেয়ের বিয়ে, শিক্ষার জন্য টাকা পায়। এটা আমরা ইতিমধ্যে করেছি। মোদীবাবুর মতো নির্বাচনের আগে ভাষণ দিয়ে নয়। এটা আমরা করেছি। ওরা করে না। বলে, কিন্তু করে না। ১৫ লক্ষ টাকা করে দেবে বলেছিল। কালো টাকা বিদেশ থেকে ফিরিয়ে আজ পর্যন্ত নিয়ে এসে দেবে বলেছিল। আজ পর্যন্ত দিয়েছে?

নারীদের ক্ষমতায়নের বিষয়ে আমরা বিশেষ নজর দেব। তৃণমূল কংগ্রেস এমন একমাত্র রাজনৈতিক দল, যারা সংরক্ষণ না থাকা সত্বেও ৪১ শতাংশ মহিলা প্রার্থী দিয়েছে। আগেরবারও ৩৫ শতাংশ নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিল। পঞ্চায়েতেও ৫০ শতাংশ সংরক্ষণ করে দিয়েছি। স্বাস্থ্যসাথী কার্ডও বাড়ির মহিলার নামে যাবে। আমরা কন্যাশ্রী করেছি, রূপশ্রী করেছি। সুতরাং নারীদের ক্ষমতার দিকে আমরা বিশেষ নজর দেব। জিএসটি যখন প্রথম হয়, একটা অন্য ভাবনা নিয়ে হয়েছিল। কিন্তু পরে যেভাবে জিএসটি প্রয়োগ হয় তা কোনও উপকার হয়নি। আমাদের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র অনেক চেষ্টা করেছিলেন। কিছুটা করতে পেরেছে। কিছু কাজ না বলে গায়ের জোরে এমনভাবে জিএসটি করা হয়েছে যে দেশের অর্থনীতির সর্বনাশ করে দিয়েছে। একদিকে নোটবন্দি আর অন্যদিকে জিএসটির জন্য দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। যদি জিএসটি ঠিক হয়, তবে আমরা দেখব। না হলে বদলাব। আমরা রিভিউ করব। যদি মনে করি এর দ্বারা জনসাধারণের মঙ্গল হবে, তবেই একে রাখব। না হলে থাকবে না। এক্সপার্ট কমিটিকে দিয়ে রিভিউ করা হবে। গরিব মানুষকে ন্যায্য অধিকার দেওয়া ও বাঁচার অধিকার দেওয়া আমাদের উদ্দেশা। স্বাস্থ্যখাতে আমরা বিনামূল্যে পরিষেবা দিই। শিশুমৃত্যুর হার কমেছে। আইসিডিএস, আশাকমীদের বেতন বাড়িয়েছি। কেন্দ্রে ক্ষমতায় এলেও এই নিয়ে কাজ হবে। ১০০ দিনের কাজ যারা করে তারা গরিব লোক। মানুষের জীবন ও জীবিকা নির্বাহের বড় জায়গা। ৬ হাজার মতো ইনকাম করতে পারে। এই ১০০ দিনের কাজটা আমরা ২০০ দিন করতে বলছি। তাদের মজুরী এখন রোজ ১৯১ টাকা । সেটাকেও দ্বিগুণ করতে বলছি। সামাজিক সুরক্ষার মধ্যে এটা চলে যাবে। তবে পরিবারের আয় বাড়বে। আর তারা যাতে ১৫ দিনের মধ্যে টাকাটা পায়, সেটাও দেখা হবে।

বহু জেলায় এখনও ব্যাঙ্ক নেই। ডিজিটাইজেশনের কথা বলা হচ্ছে। ব্যাঙ্ক না থাকলে হবে কী করে? টাকা কোন অ্যাকাউন্টে রাখবে। মানুষকে বিব্রত করছে এই টাকার জন্য। খুব দুঃখিত আরও একটা বিষয়ে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু যখন আন্দোলন করেছিলেন, জয়হিন্দ স্লোগান দিয়েছিলেন। এটা আমাদের গর্ব। বন্দেমাতরম বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যয়ের স্লোগান। এটা আমরা বলি। সেই নেতাজির চিন্তাধারাতেই ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি তৈরি হয়। সেই তিনিই তৈরি করেছিলেন প্ল্যানিং কমিশন। মোদী সরকার ক্ষমতায় এসে তুঘলকি কায়দায় প্ল্যানিং কমিশনটাকে তুলে দিল। নীতি আয়োগ করল। কীসের নীতি কে জানে? না আছে নীতি, না আছে আয়োগ। না আছে উদ্যোগ। আগে প্ল্যানিং কমিশন আমাদের ডাকত। যেতাম। কোথায় খরচ করা দরকার, কোথায় কোন কাজ করার দরকার জানতে চাইত। রাজ্যগুলোর সঙ্গে বসে ভাল করে পরিকল্পনা করত। হঠাৎ প্ল্যানিং কমিশন তুলে দেওয়া হল। নিজের সরকারের কয়েকজন লোককে দিয়ে করে দিল। এখন কিস্যু হয় না ভাষণ ছাড়া। রাজ্যের কথা বলার জায়গা নেই। ফেডারেল স্ট্রাকচার নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। একেবারে ধ্বংসাত্মক। আমরা প্ল্যানিং কমিশন নতুন করে ফিরিয়ে আনব। যুক্তরাষ্ট্র কাঠামোয় তাকে যারা আমরা আরও কার্যকর করতে পারি, উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে কাজ করতে পারে সেটা দেখতে হবে। নরেন্দ্র মোদী সরকার বিদায় নিলেই নোটবন্দি, প্ল্যানিং কমিশন, জিএসটি নিয়ে আবার কাজ করতে হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যক্ষেত্রে কাজ করার জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বিজ্ঞান গবেষণা দেশকে এগিয়ে নিয়ে চলে। এগুলোকে আমরা গুরুত্ব দেব। অর্থনৈতিক ভাবধারায় যাতে কাজ করা যায়। যেসব প্রকল্প আমাদের চলছে যেমন আদিবাসী পেনশন, সংখ্যালঘু স্কলারশিপ, সবুজসাথী, দার্জিলিং, জঙ্গলমহলের সমস্ত সামাজিক প্রকল্পকে আমরা যাতে দেশের কাজে লাগাতে পারি সেটা দেখব। যারা এখানে ধর্ম ধর্ম করে, বলে এখানে দুর্গাপুজো হয় কি না, তাদের বলি রাজ্যে লক্ষাধিক পুজো হয়। সরস্বতী পুজো হয় কি না জিজ্ঞাসা করে। বলে পুজো নাকি করা যায় না। ৯ কোটি লোক হলে ৮ কোটি মানুষের বাড়িতে পুজো হয়। যে ধর্মই হোক, তাদের প্রত্যেকের ধর্ম সম্মানে পালিত হয়। বহু কর্মসংস্থান হয়েছে, বেতন বেড়েছে। তাই ফেডারেল স্ট্রাকচারকে শক্তিশালী করতে, অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে শক্তিশালী করতে আমরা সচেষ্ট হব। আরবিআই থেকে সিবিআই প্রধান কর্তারা পদত্যাগ করে চলে গিয়েছেন। যা হচ্ছে তার পুরোটাই ওই দু’জনের নীতি। তারা দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সিনিয়র নেতা লালকৃষ্ণ আদবানিকে অসম্মান করেছে মুরলিমনোহর যোশীকে অসম্মান করেছে। কী ব্যবহার করল তাদের সঙ্গে এই বয়সে। আমরা সবাইকে সন্মান করি। আদবানিজির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তার স্ত্রীর সঙ্গেও আলাপ আছে। সিনিয়র নেতা তিনি। আদবানিজি আর যোশীজির জন্য আমরা সমবেদনা জানাই। ওই দলে এখন দু’জনের কথাই শেষ, এটা অত্যন্ত খারাপ। এই দু’জন হচ্ছে চৌকিদার। বাকিরা এই দুই চৌকিদারকে ফলো করে বেড়াছে। কংগ্রেসের স্লোগান এটা। কিন্তু এটা সত্যি। আমি সত্যিকারের চৌকিদারকে সম্মান করি। তারা তাদের কাজের প্রতি দায়বন্ধ। কিন্তু ইনি হচ্ছেন রাজনৈতিক চৌকিদার। দেশটাকে নষ্ট করে দিচ্ছে। সব প্রতিষ্ঠানকে শেষ করে দিচ্ছে। আমরা আমাদের বিজ্ঞানীদের সম্মান করি। কিন্তু এটা কী হল?

স্পেস ম্যানেজমেন্ট নিয়ে তাদের ক্ষমতার কথা ডিআরডিও ২০১০ সালেই জানিয়েছিল। এটা আজ নতুন করে কিছু হয়নি। এটা কনটিনিউয়াস প্রসেস। বলা যায় এটা ইন্দিরা গান্ধীর সময় থেকে শুরু হয়েছিল। যখন প্রথম দেশের মহাকাশচারী হিসাবে রাকেশ শর্মা গিয়েছিলেন। ইন্দিরাজি জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ভারতকে কেমন দেখাচ্ছে রাকেশ? রাকেশ বলেছিলেন, “সারে যাহা সে আচ্ছা, হিন্দুস্তান হামারা।’’ আমাদের সব মনে আছে। এখন মোদীর কী দরকার পড়ল নির্বাচনের সময় এটা ঘোষণা করার? এটা তো নির্বাচনী বিধিভঙ্গ। এটা কি মোদীর ক্রেডিট? তিনি কি স্পেসে গিয়েছিলেন? কোনও রিসার্চ করেছেন নাকি ৫ তা হলে এই পাবলিসিটি করার কী দরকার? আরেকজন কি আছেন অর্থমন্ত্রী। আয়ারাম-গয়ারাম। রিলে রেসের মতো হচ্ছে। যখন যাওয়ার সময় যাবেন। জিএসটির জন্য তিনি কী করেছেন? বোকার মতো বলছেন। আমার নাম করে বলছেন আমি নাকি নিউক্লিয়ার শক্তি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছি। মিথ্যা কথা । আমি কিছুই বলিনি। চৌকিদারকে সন্তষ্ট করার জন্য বলেছে। আমরা কখনও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে আপস করিনি। সবসময় এই ক্ষেত্রে দেশের পাশে থেকেছি। একজনকে বাংলা ও ঝাড়খণ্ডের জন্য পাঠানো হল। কে তিনি? আর কে মিশ্র। আরএসএসের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। বিএসএফের প্রাক্তন ডিজি হিসাবে সেনার পোশাক পরে গিয়েছিলেন। আর এখন স্পেশাল অবজার্ভার হয়ে গেলেন। কেন? এটা কি গণতন্ত্র? এটা কি উচিত হল? একজন মহিলাকে মালদহে পাঠানো হল। অবসরপ্রাপ্ত। অথচ তাকে পাঠানো হল। এরা সব আসছে আর বিজেপির হয়ে কাজ করছে। বিজেপিকে ব্রিফ করছে। আরএসএসের হয়ে নেমে পড়লেন? খাকি পোশাক পরে। আমি খাকি পোশাককে সন্মান করি। নির্বাচন কমিশনকে বলেছি এটা খুঁজে বের করুন।

বিজেপি ভুল বোঝাচ্ছে। বাংলাকে অসম্মান করছে। গণতন্ত্রের কোনও দাম নেই। দেশের পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। ৩১ তারিখ ভাইজ্যাগ যাচ্ছি। চন্দ্রবাবু নায়ডুর ডাকে। পরদিন ফিরব। অসম যাব। বাংলার প্রচার আছে। ৪ এপ্রিল থেকে ১৭ মে পর্যন্ত। মোবাইলেও ভাষণ দেব। অনেক জায়গায় চাইছে আমি যাই। আমি নরেন্দ্র মোদী নই। দূরদর্শনে ভাষণ দিতে পারব না। মোবাইলে দেব। আমার মোবাইলেও আড়ি পাতা হয়। প্রমাণ আছে। স্বাধীনতা নেই। বড় বড় মানুষ স্ক্যানারে রয়েছে। ভয়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আমি নিশ্চিত, আবার নাটক করবে। আবার স্টাইক করবে। দেশের উদ্দেশে ভাষণ দিচ্ছে। “মন কি বাত” তো শেষ। এবার সময় চলে যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আবার বোকার মতো বলছেন। আমার নাম করে বলছেন আমি নাকি নিউক্লিয়ার শক্তি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছি। মিথ্যা কথা। আমি কিছুই বলিনি। চৌকিদারকে সন্তষ্ট করার জন্য বলেছে। আমরা কখনও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে আপস করিনি। সবসময় এই ক্ষেত্রে দেশের পাশে থেকেছি। বিজ্ঞানীদের নিয়ে আমাদের গর্ব হয়। মোদীর ক্রেডিট নয় এটা। আমরা চৌকিদারদের থেকে জ্ঞান শুনব না। তার দিন শেব হয়ে এসেছে। উনি তো কারও সামনে আসেন না। আসতে বলুন। আমার সঙ্গে বসুন। আমায় তো পছন্দ নয়। বিরোধীদের মধ্যে থেকে কারও সঙ্গে বলুন বসতে। হোক বিতর্ক । কাশ্মীর সমস্যার সমাধান সম্ভব। কেউ না পারলে আমায় বলুন। ওখানে গিয়ে থাকব ১৫ দিন। মানুষের সঙ্গে কথা বলব। দেখব ওরা কী চায়। দার্জিলিং, জঙ্গলমহল শান্ত করতে পারলে ওটাও হবে। পৃথিবীতে হয় না এমন কিছু নেই। আমি কান্দাহারে বিমান অপহরণের সময় বলেছিলাম আমায় পাঠিয়ে দেওয়া হোক। দেশের মানুষ আমার কাছে আগে। বিজেপি এবার বেশি আসনও পাবে না। খুব বেশি হলে ১৩৫টা। একটা সার্ভে এই কথা জানিয়েছে। আমি বলছি না। ওরা এবার কোনওভাবেই বেশি পাবে না। মানুষ ওদের চিনে নিয়েছে। ভোটে জবাব দেবে।

This post is also available in: English

Subscribe to Jagobangla

Get the hottest news,
fresh off the rack,
delivered to your mailbox.

652k Subscribers