বন্ধ হল বিসর্জন

 সুখেন্দু শেখর রায়

মা রাগিয়া বলে- “চল তোরে দিয়ে আসি সাগরের জলে!”

ছেলেবেলায় পাঠ্যপুস্তকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কবিতা “দেবতার গ্রাস” পড়তাম, আর ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতাম। একইভাবে তাঁর লেখা ছোট গল্প- ‘ছুটি’, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘অভাগীর স্বর্গ’, ‘মহেশ’ কিংবা প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়ের ‘আদরিণী’ পড়ে ভীষণ মন খারাপ করত। এত বছর পরেও এসব গল্প-কবিতা মনে পড়লে একধরনের অব্যক্ত বিষন্নতা গ্রাস করে। কিন্তু ‘দেবতার গ্রাস’ আমার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হত। কারণ, সত্যিই কি কোনও মা তাঁর সন্তানকে সাগরের জলে বিসর্জন দিতে পারে ? তখন জানতাম না, কুসংস্কারাচ্ছন্ন দেশে ধর্মের নামে কত অনাচারই না ঘটে থাকে।

 শতাব্দীর পর শতাব্দী সারা পৃথিবী জুড়ে ধর্মীয় কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাসের বলি হয়েছে শতসহস্র নিরপরাধ আবালবৃদ্ধবনিতা। আমাদের দেশেও নরবলি, সতীদাহ, শিশুহত্যা, অন্তর্জলি যাত্রা, ডাইনি হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ বহু যুগ ধরে সংঘটিত হয়েছে। আঠারো ও উনিশ শতকের বিভিন্ন বিবরণ থেকে জানা যায়, মূলত ইউরোপীয় মিশনারিরাই ধর্মের নামে এমন বীভৎস হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রথম প্রচার অভিযান শুরু করেন। এমনকী, রামমোহন রায়েরও বেশ কিছুদিন আগে সামাজিক কুপ্রথার বিরুদ্ধে তারা সরব হন।

প্রথমেই ধরা যাক, উইলিয়ম কেরির কথা। তিনি ১৭৯৩ সালের ১১ নভেম্বর দিনেমার উপনিবেশ শ্রীরামপুরে এসে পৌঁছন। কিন্তু কোম্পানি আইনের বিধিনিষেধের জন্য কেরি ও তার সহযোগী রেভারেন্ড জন টমাস পর্তুগিজ উপনিবেশ ব্যান্ডেলে ধর্মপ্রচার শুরু করেন। অনেকের মতে, শ্রীরামপুরে থাকাকালীন কেরি প্রথম বাংলা ছাপাখানা চালু করেন। কিন্তু তথ্যটি ভূল। কারণ, তিনি ১৭৯৪ সালের ১৫ জুন থেকে ১৮০০ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত দিনাজপুরের (বর্তমানে মালদহে) মদনাবতীতে নীলকুঠিতে ম্যানেজার ছিলেন। অবশ্য নীলকুঠি পরিচালনার চেয়ে খ্রিস্টধর্ম প্রচারেই তিনি বেশি সময় কাটাতেন। মদনাবতীতে কেরি স্ত্রী, পুত্র ও মুন্সি রামরাম বসুর সঙ্গে থাকতেন। তবে মালদহ থেকে মাঝে মাঝে কলকাতায় যাতায়াত করতেন। ১৭৯৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মদনাবতীতেই প্রথম ছাপাখানার কাজ শুরু করেন। সে প্রসঙ্গ আলাদা। বাংলায় পৌঁছনোর পরে ব্যান্ডেল, শ্রীরামপুর, নবদ্বীপ, দেবহাটা, কলকাতাতেও কিছুদিন কাটান উইলিয়ম কেরি। ১৮০০ সালের জানুয়ারিতে পাকাপাকিভাবে শ্রীরামপুরে বসবাস শুরু করেন। বিভিন্ন জায়গায় থাকার সুবাদে সামাজিক কুপ্রথার সঙ্গে তিনি পরিচিত হন। সতীদাহের বীভৎসতা যেমন তাকে ব্যথিত করে তোলে, তেমনই গঙ্গাসাগরে প্রতি বছর ‘সন্তান বিসর্জন’ দেখে তিনি মনস্থির করেন যেভাবেই হোক এই হত্যালীলা বন্ধ করতেই হবে। তিনি সতীর্থ ধর্মযাজকদের মাধ্যমে সতীদাহের ঘটনার পরিসংখ্যান জোগাড় করতে শুরু করেন। এইসময় গভর্নর জেনারেল উইলিয়ম কেরিকে শ্রীরামপুর ফোর্ট উইলিয়ম কলেজের অধ্যাপক নিযুক্ত করেন। ততদিনে বন্ধু উডনি গভর্নর জেনারেল কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হয়েছেন। কেরি ভাবলেন, এই হল উপযুক্ত সময়। শিশুহত্যা, পুণ্য অর্জনে স্বেচ্ছামৃত্যু আর সতীদাহ বন্ধ করতে সরকারি হস্তক্ষেপ দরকার। উডনির সাহায্যে তিন-তিনটি স্মারকলিপি তিনি গভর্নর জেনারেল মার্কুইস ওয়েলেসলি-র কাছে পাঠালেন। সতীদাহ প্রসঙ্গে তিনি লিখলেন, “শুধুমাত্র ১৮০৩ সালের প্রথম ছ’মাসেই কলকাতার আশেপাশে ২৭৫ জন বিধবাকে স্বামীর চিতায় পুড়িয়ে মারা হয়েছে।” লর্ড ওয়েলেসলির কাউন্সিলের সদস্যদের মধ্যে উডনি ছাড়াও ছিলনে লর্ড লেক আর স্যর জর্জ বার্লো। তারা পরামর্শ দিলেন, আলেকজান্ডারের সময় থেকেই সারা ভারতে এই কুপ্রথা চলে আসছে। সুতরাং ভালভাবে খোঁজ খবর নিয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। নইলে হিন্দু সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ঘটতে পারে।

ইতিমধ্যে বিহারের ম্যাজিস্ট্রেট রিপোর্ট পাঠিয়ে জানান- ‘বারো বছর বয়সি এক বালিকা বিধবাকে ব্রাহ্মণেরা জোর করে তার স্বামীর চিতায় তুলছিল। আমি তাকে উদ্ধার করায় তার আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীরা আমাকে খুবই কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। সে এখন সুস্থ ও নিরাপদ আছে।’ এই রিপোর্টে ওয়েলেসলি খুবই উৎসাহিত বোধ করেন। কিন্তু তিনি সতর্ক পদক্ষেপই নিলেন। কাউন্সিলের সদস্য ও বিচারকরদের বললেন, হিন্দু পণ্ডিতদের মতামত নিতে হবে। হিন্দু আইন ও প্রথা সম্পর্কেও খোঁজ নিয়ে জানতে হবে সতীদাহ আদৌ ন্যায়সঙ্গত কি না। যদি দেখা যায়, সতীদাহ হিন্দু শাস্ত্রসম্মত নয় তাহলে এই প্রথা বন্ধ করে দিতে হবে । আর যদি পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব না হয় তাহলে অন্তত বালিকা বিধবাদের অব্যাহতি দেওয়া ও অন্যান্য বিধবাদের নেশাগ্রস্ত করে আগুনে পুড়িয়ে মারার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে। এরপর পণ্ডিতদের মতামত জানতে চাইলে বিচারকদের তাঁরা বলেন- ব্রাহ্মন, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শুদ্র- চার বর্ণের বিধবারা স্বেচ্ছায় সহমরণে যেতে পারেন। কিন্তু মনুসংহিতায় এই ধরনের কোনও বিধান নেই।’ সতীদাহ প্রথা বন্ধের জন্য পণ্ডিতদের এই অভিমতই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু ওয়েলসলির আট বছরের শাসনকাল তখন শেষ হতে চলেছে। আর সাতদিন পরেই তিনি বিলেতে নিজের পরিবারবর্গের কাছে ফিরে যাবেন। তাই এই বিষয়ে তিনি কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়েই সাগরপাড়ি দিলেন। কিন্তু সতীদাহের বিরুদ্ধে মিশনারিদের প্রচার ও প্রচেষ্টা শেষ হল না। ইতিমধ্যে রাজা রামমোহন রায়ের জীবনে এমন এক ঘটনা ঘটল যে তিনিও সতীদাহ বিরোধী আন্দোলনের বিদ্রোহী নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেন। রংপুরে তাঁর দাদা জগমোহন মারা গিয়েছেন। তার বউদিকে রামমোহন খুবই ভক্তি-শ্রদ্ধা করতেন। কিন্তু বউদিও রেহাই পাননি। তাঁকেও সহমরণে যেতে বাধ্য করা হয়। এটি ১৮১১ সালের ঘটনা । রামমোহন ১৮১৮ সালে ভিজিল্যান্স কমিটি তৈরি করেন। উদ্দেশ্য, সতীদাহ নিয়ন্ত্রণে সরকার যে অন্তর্বতীকালীন ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে সেগুলি ঠিকভাবে মেনে চলা হচ্ছে কি না তা দেখে রিপোর্ট তৈরি করা। শেষপর্যন্ত ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন গভর্নর জেনারেল লর্ড বেন্টিঙ্ক।

এ-তো গেল সতীদাহের কথা। কিন্তু সাগরে সন্তান বিসর্জন?

অপুত্রক মায়েরা ঈশ্বরের নামে শপথ নিতেন যে যদি তাঁরা পুত্রবতী হন তাহলে প্রথম সন্তানকে তিনি সাগরে অথবা অন্যত্র মা গঙ্গাকে উৎসর্গ করবেন। সতীদাহের মতো এই কুপ্রথা ব্যাপক না হলেও অনেক মা এইপথ বেছে নিতেন। এবিষয়ে উইলিয়ম কেরি গভর্নর জেনারেল ওয়েলেসলিকে পাঠানো প্রতিবেদনে লিখেছিলেন-

‘বঙ্গোপসাগরের উপকূলে সুন্দরবন অঞ্চলে যে দ্বীপটির দক্ষিণদিকে গঙ্গানদী সাগরের সঙ্গে মিশেছে তা গঙ্গাসাগর নামে পরিচিত। এই দ্বীপটিরই পৌরাণিক নাম শ্বেতদ্বীপ। এই সাগরদ্বীপে প্রত্যেক নভেম্বর ও জানুয়ারি মাসের পূর্ণিমার সময় বহু তীর্থযাত্রী আসেন। কনকনে শীত, বাঘ ও অন্যান্য হিংস্র পশুর আক্রমণকে উপেক্ষা করেই দল বেঁধে ওরা আসেন। বাংলা, বিহার, ওড়িশা, বেনারস ও উত্তর ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই তীর্থযাত্রীরা আসেন। তাদের মধ্যে একদল মহিলা আসেন সাগরসঙ্গমে শিশুসন্ভানকে উৎসর্গ করতে । এর ফলে নাকি গঙ্গা সন্তুষ্ট হয়। জ্যান্ত শিশুদের জলে ঠেলে ফেলে দেওয়া হয়। কখনও হাঙর বা কুমির এসে টেনে নিয়ে যায়। নয়তো প্রবল স্রোতে এই শিশুদের সলিল সমাধি হয়। আর যারা দুর্গম পথ পার হয়ে এত দূরে আসতে পারে না, তারা কাছাকাছি গঙ্গানদীতে তাদের শিশুসন্তানকে বিসর্জন দেয়। এরফলে নাকি পুণ্য অর্জন করে তারা। কয়েক বছর আগে আমি ও জন টমাস গাছ থেকে বাঁশের ঝুড়ি ঝুলতে দেখি। তারমধ্যে ছিল শিশুর কঙ্কাল। আর ওই কঙ্কাল উইপোকার আস্তরণে ঢাকা। বুঝতে অসুবিধে হয়নি, কোনও গরিব মহিলা, দূরান্তে গঙ্গাযাত্রায় না যেতে পেরে এমনভাবে শিশুটিকে উৎসর্গ করেছে। এসবের বিহিত হওয়া দরকার। এমন নিষ্ঠুর, বীভৎস শিশুহত্যা যারা করছে তারা মানবতার বিরুদ্ধে চরম অপরাধী। লর্ড ওয়েলেসলি এই প্রতিবেদন পড়ে চরম বিস্ময়ে হতবাক হয়ে পড়েন। বিড়বিড় করে বলতে থাকেন- অবিশ্বাস্য! অবিশ্বাস্য! এরপর ১৮০১ সালের নভেম্বরে এমন, ঘটনার সরজমিনে তদন্তের উদ্দেশ্যে কাউন্সিলের সদস্য, সেপাই-সান্ত্রী নিয়ে পৌঁছে যান সাগরদ্বীপে। গঙ্গাসাগরে তাঁর থাকার সময়েই তেইশটি শিশুসন্তান বিসর্জনের ঘটনা ঘটে। আর দেরি করেননি তিনি। পারিষদবর্গ ও সংশ্লিষ্ট অধিকারীদের সঙ্গে শুরু হয় আলোচনা । কোনও কঠোর পদক্ষেপ নিলে হিন্দুসমাজে যদি বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়! বারবার বড়লাটের মনে আশঙ্কার মেঘ জমে ওঠে। কিন্তু তাঁকে আশ্বস্ত করেন পরামর্শদাতারা। একের পর এক ঘটনা তুলে ধরে তাঁর আশঙ্কা যে অমূলক তা বোঝানোর চেষ্টা করেন। কেউ বললেন, গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসের সময় মহারাজ নন্দকুমার জালিয়াতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাঁকে প্রকাশ্য দিবালোকে জনসমক্ষে ফাসি দেওয়া হয়। প্রশাসনের তখনও আশঙ্কা ছিল, হিতে বিপরীত না হয়। হয়নি। বরং হিন্দুরা, বিশেষ করে ব্রাহ্মণের দল ব্রহ্মহত্যার পাপের ভয়ে কলকাতা  ছেড়ে পালিয়ে যান। তাদের কেউ বালি, কেউ পুরী, আবার কেউ কেউ বারাণসীতে স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে যান।

১৮০২ সালের ২০ অগাস্ট, গভর্নর জেনারেল কাউন্সিল জারি করে রেগুলেশন-৬, যার সংক্ষিপ্ত বয়ানটি হল :

ক) গভর্নর জেনারেল-ইন-কাউন্সিলের কাছে একটি অমানবিক ও নৃশংস প্রথার বিষয়ে প্রতিবেদন এসেছে। জানা গিয়েছে, সাগরদ্বীপ, বাঁশবেড়িয়া, চৌগাথা ও গঙ্গানদীর অন্যত্র শিশুসন্তানদের ডুবিয়ে মারা হচ্ছে। কোনও কোনও জায়গায় শিশুদের জলে ফেলে দেওয়ার পরে উদ্ধার করা হলেও সাগরে তা কখনও করা হয় না। হিন্দু আইনে এমন নিষ্ঠুর কুপ্রথার, কোনও নিদান নেই। বেশিরভাগ মানুষ এই কুসংস্কারে বিশ্বাস করেন না। এমনকী, কোনও হিন্দু বা মুসলমান রাজত্বে এমন কুপ্রথার অস্তিত্ব ছিল না। তাই এই ধরনের শিশুহত্যা বন্ধ করার জন্য বাংলা, ওড়িশা ও বেনারসে এই রেগুলেশন বলবৎ করা হল।

 খ) যদি কোনও ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গ কোনও শিশুকে ইচ্ছাকৃতভাবে সাগর, গঙ্গা অথবা কোনও নদী, জলাশয়ে ডুবিয়ে মেরে ফেলে তাহলে এমন ব্যক্তি/ ব্যক্তিবর্গকে হত্যার অপরাধে প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এই অপরাধের সহযোগীদেরও একইভাবে প্রাণদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

গবেষকদের মতে, হিন্দুসমাজের ধর্মীয় বিষয়ে রেগুলেশন নং-৬ এর মাধ্যমেই প্রথম হস্তক্ষেপ করে ইংরেজ প্রশাসন। এর মূলে রয়েছে উইলিয়ম কেরির নেতৃত্বে একদল মহানুভব মিশনারি। অবশ্য যাঁরা ভিন্নমত পোষণ করেন তাঁদের বক্তব্য হল- কেরি ও অন্যান্য ধর্মযাজকরা সতীদাহ বা শিশুসন্তান উৎসর্গ করা নিয়ে যে সমস্ত সংখ্যা বা বিবরণ দিয়েছিলেন তা নানা কারণে বিশ্বাসযোগ্য নয়।

ধর্মযাজকদের উদ্দেশ্য ছিল, ওই হিন্দুধর্মের কুসংস্কারের কথা তুলে ধরে হিন্দুদের খ্রিষ্টধর্মে ধর্মান্তরিত করা। বিতর্ক ছিল, আছে ও থাকবে। কিন্তু কুপ্রথার অবসান ঘটেছে। যদিও সাগরসঙ্গমে বা গঙ্গানদীর বিভিন্ন প্রান্তে এখনও মাঘী পূর্ণিমায় মহিলাদের দেখা যায় শিশুসন্তানকে জলে ছুঁইয়ে কোলে তুলে নিচ্ছেন। অবশ্য তা শুধু বিলুপ্ত প্রথার প্রতীকমাত্র। উইলিয়ম কেরিকে এমন নানা ঐতিহাসিক অবদানের জন্য আমরা মনে রাখি। শিশু-উৎসর্গ বন্ধ করায় তার ভূমিকা যে ভোলার নয়।

 

This post is also available in: English

Subscribe to Jagobangla

Get the hottest news,
fresh off the rack,
delivered to your mailbox.

652k Subscribers

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial