‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচিতে যুব সংগঠনও

হিয়া রায়

‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচিতে রাজ্যজুড়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল তৃণমূল যুব কংগ্রেস। সাধারণ মানুষের কাছে ‘দিদিকে বলো’-এর ফোন নম্বরের কার্ড তুলে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষ ‘দিদিকে বলো’তে ফোন করে তাদের মতামত, সমস্যার কথা জানাচ্ছেন। সেইমতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও করা হচ্ছে। রাজ্য প্রশাসন ও তৃণমূল কংগ্রেস সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে আছে। সাধারণ মানুষ যাতে জননেত্রীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন, তাদের মতামত পৌঁছে দিতে পারেন, তার জন্যই ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি। ৯১৩৭০৯১৩৭০ টোল-ফি নম্বর এবং ওয়েবসাইট www.didikebolo.com
‘দিদিকে বলো’ উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল প্রথম দিনই। দিন যত এগিয়েছে, তত সাধারণ মানুষের সমর্থন আরও বেড়েছে। রাজ্যজুড়ে ব্যাপক সাড়া “দিদিকে বলো” কর্মসূচিতে। বিধায়কদের ডেকে জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশে দিয়েছিলেন মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়াতে। সেই কর্মসূচিতে দলের কাজে এগিয়ে এসেছেন সাধারণ মানুষও। সকলেই বলছেন, জননেত্রীর এই উদ্যোগ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়করা রাজ্যজুড়ে ‘দিদিকে বলো’-র প্রচার কর্মসূচিতে মানুষের ঘরে ঘরে যাচ্ছেন। মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের পাশে আছে।

তৃণমূল যুব কংগ্রেসও এই কর্মসূচিতে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে। দলে যুব সংগঠনকে নিয়ে বৈঠক করেন তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে এই বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি জানান, ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচিতে একমাসে অভূতপূর্ব সাফল্য এসেছে। সেই পথেই এবার দলের যুব সংগঠনকে ‘দিদিকে বলো’-র কর্মসূচিতে নামতে বলা হয়েছে। বৈঠকে ছিলেন সুব্রত বক্সি, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, অরূপ বিশ্বাস, ইন্দ্রনীল সেন, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। তৃণমূল যুব কংগ্রেস পাশে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। যুব শাখার প্রত্যেক সদস্য মানুষের উন্নতিতে পাশে থাকে। আগামিদিনেও মানুষের সঙ্গে জনসংযোগের প্রক্রিয়া জারি থাকবে। মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলাই লক্ষ্য। কোনও এলাকায় দলীয় কর্মীর বাড়িতে খাওয়া ও রাত্রিবাসের কর্মসূচি রয়েছে। চারজন বিশিষ্ট ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে তাদের অভিযোগ, পরামর্শ শুনছে যুব কংগ্রেস নেতৃত্ব। এলাকায় দলীয় পতাকা উত্তোলন। সাধারণ মানুষের কোনও সমস্যা সামনে এলে প্রয়োজনমতো করছেন তার সুরাহা। সিনিয়র নেতৃত্বও তাদের মতো করে পরামর্শ দিয়েছেন যুব সংগঠনকে। যুব সংগঠনের প্রত্যেক নেতা তিনটি করে গ্রামে যাচ্ছেন। গ্রামে গিয়ে মানুষের সঙ্গে দেখা করা, মানুষের মতামত নেওয়া এই কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত। গ্রামাঞ্চলের মানুষের জন্য একাধিক প্রকল্প চালু করেছেন জননেত্রী। সেই প্রকল্পগুলি সম্পর্কেও মানুষকে অবহিত করছেন তৃণমূল যুব কংগ্রেস নেতৃত্ব।

২৯ জুলাই ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকে প্রতিদিনই জেলায় জেলায় এই কর্মসূচিতে শামিল হচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরা । তারা সাধারণ মানুষের কাছে যাচ্ছেন ‘দিদিকে বলো’-এর বিষয়টি বোঝাচ্ছেন। কীভাবে জননেত্রীর কাছে মতামত পৌঁছে দেওয়া যাবে, তা বিস্তারিতভাবে জানাচ্ছেন। ‘দিদিকে বলো’ ফোন নম্বরটি সাধারণ মানুষকে জানাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। পাশাপাশি এলাকার বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়করা। বিশিষ্ট মানুষজন বাংলার উন্নয়ন নিয়ে যে মতামত দিচ্ছেন, তা লিপিবদ্ধ করছেন তারা।
সেইসঙ্গে কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে গিয়ে থাকছেন বিধায়করা। রাত্রিবাস করছেন। জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় বলেন, কর্মীরাই দলের সম্পদ। সেই বার্তাটা এলাকায় এলাকায় পৌঁছে দিচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। কর্মীর বাড়িতে থেকে দলকে শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা সারছেন। উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গ, সর্বত্র এক ছবি লক্ষ করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরা। এলাকায় জনসংযোগ করছেন। এলাকায় সাধারণ মানুষকে নিয়ে বৈঠক করছেন, মানুষের ঘরে যাচ্ছেন, মিটিং, মিছিল করছেন, দলের কথা ও জননেত্রীর উন্নয়নের কথা সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরছেন। কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে থাকছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। বাংলার মানুষও স্বাগত জানাচ্ছেন। তাঁরা বলছেন, জননেত্রীর হাত ধরে বাংলায় উন্নয়ন হয়েছে। এই উন্নয়নের পাশে তাঁরা থাকবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকবেন। ‘দিদিকে বলো” ফোন নম্বরটি ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে। মানুষ বলছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে বাংলার মাটির টান। জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার গর্ব। তিনি বাংলার আপামর মানুষের পাশে রয়েছেন। তাই তাঁর পাশেও রয়েছে বাংলার মানুষ৷

This post is also available in: Bangla

Subscribe to Jagobangla

Get the hottest news,
fresh off the rack,
delivered to your mailbox.

652k Subscribers

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial