‘দিদিকে বলো’, একমাসে সাড়া দিল ১০ লক্ষ সাধারণ মানুষ

ঊর্মি চক্রবর্তী

রাজ্যজুড়ে ব্যাপক সাড়া ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচিতে। ২৯ জুলাই এই কর্মসূচি ঘোষণা হয়। ২৯ আগস্ট এক মাস পূর্ণ করে। এই ৩০ দিনে সাধারণ মানুষ তাঁদের মতামত জানিয়েছেন। সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন। মানুষ পেয়েছেন সুরাহা। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস সবসময় মানুষের পাশে থাকে। মানুষের উন্নতিতে কাজ করে। আর জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বাংলার সরকার রাজ্যজুড়ে উন্নয়ন করে চলেছে।

একমাস পূরণ করল দলের ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি। যে এক মাসে সাড়া মিলল ওয়ান মিলিয়ন অর্থাৎ দশ লক্ষ। তাতে রয়েছে অভিযোগ এবং পরামর্শ। প্রশংসায় ভরে গিয়েছে মেসেজ বক্স। যা নিয়ে জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। বলেছেন, “রাজ্যের মানুষ ‘দিদিকে বলো’-তে যেভাবে সাড়া দিয়েছেন তাতে আমি অভিভূত। গত এক মাসে ১০ লক্ষ মানুষ আমাদের কাছে পৌঁছেছেন তাঁদের মূল্যবান পরামর্শ আর অভিযোগ নিয়ে। কেউ কেউ প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন।” প্রথম ২৪ ঘন্টাতেই সংখ্যাটা ছাড়িয়েছিল ১ লক্ষ।

২৯ জুলাই ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকে প্রতিদিনই জেলায় জেলায় এই কর্মসূচিতে শামিল হচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরা। তাঁরা সাধারণ মানুষের কাছে যাচ্ছেন, ‘দিদিকে বলো’-এর বিষয়টি বোঝাচ্ছেন।কীভাবে জননেত্রীর কাছে মতামত পৌঁছে দেওয়া যাবে, তা বিস্তারিতভাবে জানাচ্ছেন। ‘দিদিকে বলো’ ফোন নম্বরটি সাধারণ মানুষকে জানাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। পাশাপাশি এলাকার বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়করা। বিশিষ্ট মানুষজন বাংলার উন্নয়ন নিয়ে যে মতামত দিচ্ছেন, তা লিপিবদ্ধ করছেন তাঁরা। ১০০ দিন সময় দিয়ে অভিনব জনসংযোগ নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। সাধারণ মানুষ যাতে জননেত্রীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন, তাঁদের মতামত পৌঁছে দিতে পারেন, তার জন্য চালু হয়েছে ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি। ৯১৩৭০৯১৩৭৩০ টোল-ফ্রি নম্বর এবং ওয়েবসাইট www.didikebolo.com। বিভিন্ন ধরনের সমস্যার কথা মানুষ ফোন করে জানান ‘দিদিকে বলো’ দফতরে। সুরাহাও মেলে শীঘ্রই। যেগুলির মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল কর্নাটকের বন্যায় আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধার।

হিসাবটা এরকম। ফোনে কথা বলেছেন ৮ লক্ষ ৬৩৫ জন। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে এসেছে ১ লক্ষ ৯৯ হাজার ৭১৫টি বার্তা। যাদের মধ্যে শতাংশের হিসাব ধরলে অভিযোগ এসেছে ৪২ শতাংশ। পরামর্শ এসেছে ৩২ শতাংশ। ২২ শতাশে এসেছে প্রশংসাসূচক বার্তা। বাকি ৪ শতাংশের মধ্যে অন্যান্য নানা সমস্যার কথা জানিয়েছেন মানুষ। অত্যন্ত সংকটের মধ্যে পড়েছিলেন ২১৪ জন। তার মধ্যে ১৬১টি সমস্যার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সমাধান করা হয়েছে। পরিসংখ্যানটি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়েছেন জননেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানিয়ে জননেত্রী বলেছেন, “আমরা প্রত্যেকের মূল্যবান পরামর্শ গ্রহণ করেছি। অভিযোগ নথিবদ্ধ করেছি। প্রতিশ্রতি দিচ্ছি, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের সব ক’টি অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

This post is also available in: English

Subscribe to Jagobangla

Get the hottest news,
fresh off the rack,
delivered to your mailbox.

652k Subscribers

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial