কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যকলাপ, একে সুশাসন বলে না

পূর্ণেন্দু বসু

কেন্দ্রীয় সরকারের (মোদি জামানায়) কার্যকলাপ নিয়ে এর আগেও অনেক আপত্তি উঠেছে, এখনও উঠছে। সাম্প্রতিক কিছু কার্যকলাপ নিয়ে কঠোর সমালোচনা হচ্ছে। এমনভাবে সরকার চালানো হচ্ছে, যা ইন্দিরা গান্ধীর জরুরি অবস্থাকেও হার মানায়।

প্ৰথমে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে কেন্দ্র যা করছে, তার দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা শুরু করব।

 পুজো কমিটিগুলিকে ডাকছে আয়কর দফতর

সাম্প্রতিক রাজ্যের পুজো কমিটি গুলিকে আয়কর দফতরে হাজিরা দিতে বলা

হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই নির্দেশ একতরফা এবং স্বৈরাচারী। কলকাতার বহু দুর্গাপুজো কমিটি গুলির কাছে পূজোর খরচের হিসাব চেয়ে আয়কর দফতরের নোটিস পাঠানো হয়েছে। এটা কি পুজো বন্ধের চেষ্টা? কেন্দ্রের এই হেনস্তা ও প্রতিশোধমূলক আচরণ কেন ?

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্ৰী কেন্দ্রের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলার সেরা উৎসব দুর্গাপুজো। আর এই উৎসব সম্প্রীতির উৎসব। চাঁদা দেয় সাধারণ মানুষ। লাভের জন্য পুজো হয় না। তাহলে আয়কর দফতর এখানে হস্তক্ষেপ করবে কেন ? তাঁর মতে, সারা ভারতে অনেক ট্রাস্ট আছে। অনেক মন্দির আছে। সবাই কি তাহলে ইনকাম ট্যাক্স দেবে?

আসলে এর উদ্দেশ্য হল, বেছে বেছে ক্লাব কর্তাদের হেনস্থা করা। সকলেই জানেন, কলকাতার বড় পুজোগুলির সঙ্গে অনেক তৃণমূল নেতা যুক্ত আছেন। তাই কেন্দ্রের উদ্দেশ্য স্পষ্ট। কেন্দ্রের মোদি সরকার চায় তৃণমূল কংগ্রেসকে হেনস্থা করতে। এটা এক প্রতিশোধমূলক আচরণও বটে। যেহেতু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল  কংগ্রেস দল বিজেপি সরকারের নানা সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছে, তাই সে-কোনও ছুতোনাতায় তাদের হয়রান করাই এর উদেশ্য। এর সঙ্গে সুশাসনের কোনও সম্পর্ক নেই। আয়কর ফাঁকি দিয়ে যারা বিদেশে কালো টাকা জমা করেছেন, তাঁদের ধরার কোনও উদ্যোগ নেই। নোটবন্দিও শুধু সাধারণ মানুষের হয়রানিতেই শেষ হল। কাজের কাজ কিছু হল না। এর কোনও মূল্যায়নও করা হল না। ওরা পড়লেন দুর্গাপুজো নিয়ে।

বাংলা ও বাঙালির সঙ্গে মাতৃ-আরাধনার বিষয়টি চিরকালই প্রধান রূপে যুক্ত। শ্রীরাম বা হনুমান এখানে পুজো অর্চনার ক্ষেত্রে কখনওই গ্রুরুত্বপূর্ণ ছিল না। হিন্দি বলয়ের এর চল খুব বেশি। বিজেপি নেতাদের সে কারণে বাংলার উপর বেশ রাগ। তাই জোর করে রামনবমী বা হনুমান জয়ন্তী চালু করার ব্যাপারে তাদের উৎসাহ বেশি। বাংলায় বিজেপি-আরএসএস-বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ও বজরং দল প্রভৃতি, তাদের হিন্দুত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তাই দুর্গাপূজোর ক্লাব কর্তাদের হেনস্তা করার আয়োজন। হিন্দুত্ববাদীদের এই মনোভাবও এক্ষেত্রে কাজ করছে বলে মনে হয়। সেই হিন্দুত্ববাদীদের খুশি করলে ভোট পাওয়া যেতে পারে বলে ওরা হয়তো ভাবছেন। সেটা যে এতো সহজ নয়, তা অচিরেই ওরা টের পাবে। বিজেপি ও গেরুয়াপন্থীরা বাংলো ও বাঙালিকে পছন্দ করে না। তাদের বাঙালি বিদ্বেষ রয়েছে। তাই দুর্গাপুজোর হিসাব নিতে আয়কর দফতরকে নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি সহজ-সরল কোন পদক্ষেপ নয়। এর পিছনেও রয়েছে বিজেপির ক্ষমতার রাজনীতি। একটা কথাই বলার, বিজেপি আগুন নিয়ে খেলা অবিলম্বে বন্ধ করুক।

আয়ুষ্মান ভারত

অনেক ঢাকঢোল বাজিয়ে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্প ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এই প্রকল্পের লক্ষ্য, দারিদ্রসীমার নিচে থাকা পরিবারগুলিকে নিখরচায় ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা বিমা করে দেওয়া। গোটা দেশের সঙ্গে এ রাজ্যে প্রকল্পটি চালু করা হয়েছিল। মানুষকে ঘুণাক্ষরেও জানতে দেয়নি, তা হল- বিমার প্রিমিয়ামের টাকার একটা বড় অংশই কিন্তু রাজ্য সরকার দেয়। কেন্দ্রীয় সরকার এমন ভাল করছে যেন প্রকল্পের সব দায়িত্ব তাদের। এভাবে অসত্য অবস্থান নিয়ে রাজ্যের ভূমিকাকে অস্বীকার করার প্রতিবাদেই প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্ৰী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তাঁর অভিযোগ, মোদি সরকার সমান্তরাল প্রশাসন চালাচ্ছে। রাজ্যের সব বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে। আয়ুষ্মান ভারতে রাজ্যগুলি দেবে ৪০ শতাংশ টাকা। অথচ বাড়ি বাড়ি চিঠি পাঠিয়ে বলা হচ্ছে, এটা পুরোপুরি কেন্দ্রীয় সরকারের অবদান। চিঠির লোগোটি পদ্মফুলের মতো। আসলে সরকারের পয়সায়, পার্টির প্রচার চালানো হচ্ছে। শিক্ষাস্বাস্থ্য, খাদ্য সব ক্ষেত্রেই এটা চলছে। এই প্রবণতা কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে কখনওই ভাল নয়। বরং সুস্থ সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধাস্বরূপ। কেন্দ্রে যেমন নির্বাচিত সরকার আছে, রাজ্য সরকারও তো নির্বাচিত। রাজ্য সরকারগুলিও সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই কাজ করে। তাহলে কেন এই হস্তক্ষেপ? এর প্রধান কারণ হল, কেন্দ্রীয় সরকারের এককেন্দ্রিক মানসিকতা। যা যুক্তরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের কাঠামোকে মর্যাদা দেয় না।

 

এবার কেন্দ্ৰীয় সরকারের সাম্প্রতিক দু’টি কাজ নিয়ে আলোচনা করব।

প্রথমটি হল সিবিআই ডিরেক্টর অলোক বর্মার অপসারণ। আর দ্বিতীয়টি হল বিজ্ঞান কংগ্রেসে অপবিজ্ঞান চর্চা।

আলোক বর্মার ইস্তফা

মিথ্যে, গুরুত্বহীন এবং ছেঁদো অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে সরানো হল। গতকাল আবারও সিবিআই অধিকর্তার পদ থেকে অপসারণের পর নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানালেন অলোক বর্মা। সুপ্রীমকোর্টের নির্দেশে পুনর্বহাল হওয়া সিবিআই প্রধান অলোক বর্মাকে মোদি সরকার ৩৬ ঘন্টার মধ্যে দ্বিতীয়বার সিবিআই ডিরেক্টর পদ থেকে সরিয়ে দমকল, অসামরিক প্রতিরক্ষা এবং হোমগার্ডে বদলি করার পর ইস্তফা দেন অলোক বর্মা। যথাযথ বিবেচনার পর তার এই ইস্তফা। আর মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর অবসর নেওয়ার কথা। তার আগেই ইস্তফা দিলেন তিনি।

অলোক বর্মা বলেছেন, সিবিআইয়ের স্বাধীনতার হস্তক্ষেপ করছে সরকার। একথা সবারই ভাবা দরকার যে, গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে তদন্ত করা সিবিআইয়ের কাজ। তাদের স্বাধীনভাবে কাজ করার নিরাপত্তা দিতে হবে। বাইরের প্রভাব ছাড়া কাজ করতে দিতে হবে। এরকম প্রতিষ্ঠানের স্বাতন্ত্র্য এবং অখণ্ডতা বজায় রাখার ব্যবস্থা থাকা চাই। অলোক বর্মার অপসারণ আইনকে এড়িয়েই করা হয়েছে।

একথা ক্রমশই স্পষ্ট হচ্ছে সে, তিনি প্ৰধানমন্ত্রীর পছন্দের লোক নন। প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্যই ছিল, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অলোক বর্মাকে সিবিআই ডিরেক্টরের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া যায়। কারণ মোদি সরকারের আশঙ্কা ছিল, বর্মা রাফাল চুক্তিতে তদন্তের এফআইআর দায়ের করে দিতে পারেন। একথা স্পষ্ট করেই বলা দরকার যে, এই অপসারণ শুধু অনৈতিকই নয়, এর মধ্যে প্রতিশোধ নেওয়ার মানসিকতা কাজ করেছে। সিবিআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই কাজ সংসদীয় গণতন্ত্রের লজ্জা। একে সুশাসন বলে না।

বিজ্ঞান কংগ্রেসে অপবিজ্ঞান চর্চা

ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেস হল দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিজ্ঞান সম্মেলন। ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেস অ্যাসোসিয়েশন প্রতি বছরের প্রথম সপ্তাহে দেশের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের গবেষণা ও আবিষ্কারের চর্চা, মূল্যায়ন ও প্রায়োগিক সম্ভাবনাকে খতিয়ে দেখতে এই সম্মেলন আয়োজন করে থাকে দেশের কোনও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিদেশের অনেক বিজ্ঞানীকেও আমন্ত্রণ করা হয়। গত ৩-৭ জানুয়ারি পাঁচ দিন ব্যাপী ১০৬তম ভারতীয় বিজ্ঞান কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হল, জলন্ধরের বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান লাভলি প্রফেশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। প্রথামতো প্রধানমন্ত্রী ৩ জানুয়ারি সম্মেলন উদ্বোধন করলেন।

এই কংগ্রেসে আলোচনার বিষয় ছিল- ‘আগামী ভারতঃ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি’।

জানুয়ারি সম্মেলন মঞ্চে একটি আলোচনাসভায়, প্রাচীন ভারতে বিজ্ঞানের বিস্ময়কর উদ্ভাবনের প্রসঙ্গ টেনে বক্তব্য রাখেন অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং রসায়নবিদ প্রফেসর জি নাগেশ্বর রাও। মহাভারতের কাহিনি উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, দশহাজার বছর আগেই ভারতের বিজ্ঞানীরা স্টেমসেল রিসার্চ ও টেস্টটিউব বেবি প্রযুক্তি শুধু যে জানতেন তা-ই নয়, এসব তাঁদের কাছে ছিল জলভাত। ১০০টি ডিম্বানুকে নিষিক্ত করে মাটির হাঁড়িতে রেখে, গান্ধারীর জরায়ুতে তাদের প্রবিষ্ট করে কৌরব বংশের ১০০টি সন্তান প্রসব করা হয়েছিল। তিনি রাম-রাবণের যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে আরও বলেন, ওই সময়কালেই আকছার ‘গাইডেড মিসাইল’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হত। ভগবান রামচন্দ্র অস্ত্র ও শস্ত্র দু’টিই ব্যবহার করতেন। নির্দিষ্ট লক্ষ্যে আঘাত হেনে তারা ফিরে আসত। রাবণের নাকি বিভিন্ন মাপের অনেক বিমান এবং কম করেও ২৪টি বিমানবন্দর ছিল। ভগবান বিষ্ণুর সুদর্শন চক্রটি ছিল আধুনিক যুগের ব্যালাস্টিক মিসাইল বা ক্ষেপনাস্ত্র। তাই দিয়ে তিনি আর বিনাশ করতেন।

এর পরের দিন তরুণ বিজ্ঞানী, তামিলনাড়ুর আলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়েরগবেষক কান্নন জগথালা কৃষ্ণন বলেন, আইনস্টাইন ও নিউটন মানুষকে বিভ্রান্ত করেছেন। তাঁদের গবেষণা ভ্রান্ত ও পরিত্যাজ্য। এই তথাকথিত গবেষক আরও দাবি করেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হর্ষবর্ধন, বিজ্ঞানী আবদুল কালামের চেয়েও অনেক বিদগ্ধ পণ্ডিত।

এসবের মাধ্যমে কুসংস্কার, অপবিজ্ঞান ও কল্পবিজ্ঞানের বিষবাষ্পে ভরে উঠল সম্মেলন কক্ষ। গত ৫-৬ বছর ধরে বিজ্ঞান কংগ্রেসের মঞ্চে এ জাতীয় বিচিত্র, কুসংস্কারগ্রস্ত অপবিজ্ঞান চর্চাকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। স্বয়ং দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এমন অবাঞ্ছিত অপকর্মে অংশ নিয়েছেন। ২০১২ সালের উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি লক্ষ বছর আগে প্লাস্টিক সার্জারির উদ্ভাবনের কথা বলেন। যার সাহায্যে নাকি গণেশের মাথায় হাতির মুন্ডু লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

বিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে যাঁরা এতকাল যুক্ত আছেন এবং বিজ্ঞান বলে যা জেনে এসেছেন, সে-সব ঝেড়ে ফেলে মোদিতন্ত্রের প্রচারিত গালগল্পগুলিকেই এবার বিজ্ঞানীরা শিরোধার্য করলেন? বিজ্ঞানীমহলের কাছে এই প্রশ্ন উপস্থিত হয়েছে। কৌরবদের জন্মরহস্য, গণেশের হস্তিমুন্ড রহস্য ইত্যাদি কি বিজ্ঞানের বইয়ে এবার পড়তে হবে?

এই মিথ্যা বিজ্ঞানচর্চার মাধ্যমে বিজ্ঞানের জ্ঞান ভুলিয়ে দেওয়ার যে চর্চা, তা যে বড় ধরনের হিন্দুত্ববাদী আয়োজন, সে কথা সহজেই বোঝা যায়। সম্ভবত ভারতকে একাধিক প্রজন্ম  ধরে এর  মূল্য চোকাতে হবে।

এত দিন যা ছিল বিক্ষিপ্ত ও বিছিন্ন প্রয়াস, এ বছরের বিজ্ঞান কংগ্রেস তাকে সম্পূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদায় উত্তীর্ণ করল। সরকারি মদতে এই বিজ্ঞানের নামে অবিজ্ঞানচর্চা, মিথের নামে মিথ্যার প্রচার চলছে। সব মিলিয়ে অনৈতিকতার জয়জয়কার। যাঁরা এই মোদিতন্ত্রের বাইরে রয়েছেন, নাগরিক হিসাবে তাঁদের লজ্জার শেষ নেই। প্রতিবাদও ধ্বনিত হচ্ছে। চাই এই অপকর্মের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রতিবাদ। বিজ্ঞানের মুখোশধারী অপবিজ্ঞানের বিরুদ্ধে বিজ্ঞানের ধারাটিকে রক্ষা করা ও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদী কর্মকাণ্ডকে জোরদার করেই, বিজ্ঞানের পতাকা ঊর্ধ্বে তুলে ধরা যায়।

দেশের অতীত ইতিহাসকে এভাবে বিশ্বের হাসির খোরাকে যারা পরিণত করছে, সেই হিন্দুত্ববাদী শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতেই হবে। রাম-রাবণ, পান্ডব-কৌরব নিয়ে যাঁরা এই জঘন্য রাজনীতির খেলা খেলা খেলছেন, বিজ্ঞানকে যাঁরা ধর্মীয় রাজনীতির স্বার্থে কল্পবিজ্ঞানে পরিণত করছেন, তাঁরা দেশের ও দশের ক্ষতি করছেন। ভয়ঙ্কর বিপজ্জনক এই শক্তি। এরাই আজ রাষ্ট্র ক্ষমতায়। দেশের ইতিহাস ও বিজ্ঞান নিয়ে এরা ছেলেখেলা করে চলেছেন। ভারতীয় সংসদীয় ব্যবস্থা ও আমাদের বিজ্ঞানসাধনাকে এরা ধ্বংস করছে। এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতেই হবে। ধর্মের নামে ক্ষমতা দখলের রাজনীতিকে পরাস্ত করতে হবে।

This post is also available in: English

Subscribe to Jagobangla

Get the hottest news,
fresh off the rack,
delivered to your mailbox.

652k Subscribers