কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা : নিন্দার ভাষা নেই

পূর্ণেন্দু বসু

১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামায় মিলিটারি কনভয়ের উপর গাড়ি বোমা হামলায় ৪৯ জন জওয়ান নিহত হয়েছেন। বেদনা ও শ্রদ্ধায় আমরা স্মরণ করি তাদের। ধিক্কার জানাই এই সন্ত্রাসকে। এই ঘটনার নিন্দার ভাষা খুঁজে পাওয়া দুস্কর। শুধু সেনার কাজে যোগ দেওয়ার অপরাধে এতগুলি নিরপরাধ মানুষের প্রাণ অকালে চলে গেল। পড়ে রইল শোকস্তব্ধ বিধ্বস্ত পরিবারগুলি। ক্ষোভ ও দুঃখের সঙ্গে মিশে গিয়েছে এক নিদারুণ অসহয়োতাবোধও। জঙ্গিগোষ্ঠী জইশ-ই-মহম্মদ দায় স্বীকার করেছে। তবে এই সন্ত্রাসী হামলা যারাই করে থাকুক না কেন, বুঝতে কষ্ট হয় না যে উপত্যকার স্থানীয় সমর্থন তাদের সঙ্গে রয়েছে। তা না হলে এই নিধনকার্য বারবার সফল হত না। আরেক দিক দিয়েও আমরা অসহায়। কারণ গত কয়েক বছরে কাশ্মীর উপত্যকা ও হামলা যেভাবে হচ্ছে তাতে ভারতীয় প্রতিরক্ষা বিষয়েও গুরুতর প্রশ্ন উঠছে। গোয়েন্দা দফতর নিয়েও প্রশ্ন আছে। আগাম সতর্কবার্তা থাকলে প্রশ্ন আরও গভীরতর হয়। ৭৮টি গাড়ির ঠিকভাবে নেওয়া হয়নি কেন? প্রয়োজন ছিল আকাশপথে নজরদারি। এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে এই চিন্তা যাদের মাথায় আসেনি, তাদের হাতে জোয়ানদের জীবন নিরাপদ নয়। প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক যে, অনেক আগে খবর থাকা সত্বেও কেন যথেষ্ট সতর্কতা নেওয়া হয়নি। এতো বড় একটি কনভয় এরকম উপক্রত এলাকা দিয়ে যাবে— এ খবর তো গোপন থাকার কথা নয়। জঙ্গিরা সেই সুযোগ নেবে এটাও ভেবে দেখা হয়নি।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর দেশ জুড়ে যে আবেগের জোয়ার বইছে তা কাজে লাগিয়ে যেন কেউ ভোটের বৈতরণী পার হতে না পারে— এটুকু ভারতীয় নাগরিক হিসাবে আমরা যুগপৎ আশা দাবি করতে পারি। কিন্তু দেখা গেল, সোশ্যাল মিডিয়া রণহুঙ্কারে কাপছে। পাকিস্তানের যেন সময়ের অপেক্ষামাত্র। যুদ্ধ ও হিংসার বিরুদ্ধে যাঁরা যুক্তি ও বিবেক নির্ভর কথা ফেসবুক লিখেছেন, তাদের উপর নেমে এসেছে আঘাত। বলা হচ্ছে, এরা দেশদ্রোহী। কাশ্মীরি সহনাগরিকদের উপর নিপীড়ন, তাদের শোনানো হয়েছে— অতো দরদ উথলে উঠলে কাশ্মীর বা পাকিস্তান চলে যান। সঙ্গে জুটেছে অকথ্য এবং অশ্রাব্য কটুক্তি ও চরিত্রহনন। ফেসবুকের লেখা দেখে উন্মত্ত জনতা কেথাও চড়াও হয়েছে শান্তিকামী সেই মানুষটির বাড়ি। তাকে কান ধরে, ‘ভারত মাতা কি জয়’ শ্লোগান দিয়ে নিস্তার পেতে হয়েছে। দুই দশক ধরে যিনি কলকাতায় চিকিৎসক স্তম্ভিত হয়ে শুনছেন, উগ্র দেশপ্রেমিকদের দল তার গর্দান চাইছে। নদিয়ায় কাশ্মীরি শালবিক্রতা আক্রান্ত ও রক্তাক্ত হয়ে পথে লুটিয়ে পড়েছেন। কলকাতার রাজপথে যুদ্ধবিরোধী মিছিলের উপর আচম্বিতে আক্রমণ হয়েছে। এই স্পর্ধা চরম নিন্দনীয়।

আমরা দেখলাম এবং আশ্চর্য হলাম যে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের আত্মজিজ্ঞাসার কোনও প্রচেষ্টাই নেই। এতো বড় এটা সেনা কনভয় যেখান গাড়ি এসে পড়তে পারে, কীভাবে সেনার মধ্যে আত্মঘাতী জঙ্গি গোপনে এতো বড় হামলার প্রস্ততি নিতে পারল— সে সব প্রশ্নের উত্তর দেবে কে? ইনটেলিজেন্স কি ছেলে খেলার বিষয়? যার উপর দেশের কোটি কোটি নাগরিকের জীবনমরণ নির্ভর করে, সেই ব্যবস্থা এত দুর্বল কেন? ঠুনকো? ঘটনা ঘটামাত্র স্থির নিশ্চিত হয়ে গেল যে, এই হামলা পাকিস্তানের অপকীর্তি। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানকে যোগ্য প্রত্যুত্তর দেওয়ার হমকি দেবেন— এটাই রীতি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলবেন, পাকিস্তানই এই ধ্বংসকাণ্ডের পিছনে— এটাও জানা কথা। পাকিস্তানের হাত এই ঘটনার পিছনে থাকতেই পারে। কিন্তু এখনও তার প্রমাণ জনসমক্ষে আসেনি। গোয়েন্দা তথ্য পর্যন্ত জোগাড় করতে অসমর্থ, সেখানে কী করে এতো দ্রুত পাকিস্তানের ‘হাত’-এর প্রমাণ পাওয়া গেল। এই প্রশ্নটি ওঠা খুবই স্বাভাবিক। কেননা এতোদিনে এই চিত্রনাট্যটি বেশ পুরনো হয়ে গেছে। আমরা জেনে গেছি যে, এরকম একটি ঘটনা ঘটামাত্র তা রাজনৈতিকভাবে বিজেপির কাজে লাগবে। আসন্ন নির্বাচনে বিজেপি একে ব্যবহার করবে। অধিকাংশ প্রচারমাধ্যমে হবে। আর পাকিস্তান বিরোধিতার তুফান উঠবে। এটাও জানা কথা যে, এরকম ঘটলে সঙ্ঘের মূল প্রবক্তারা সঙ্গে সঙ্গেই বলতে থাকবেন যে, পাকিস্তানের উপর এখনই প্রতিশোধমূলক আক্রমণ শুরু করা হোক।

বাস্তবত, কাশ্মীরি সঙ্কট যে গত পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে গভীরতর এবং ভয়ঙ্করভাবে রক্তাত হয়েছে, তার কারণ বিজেপি সরকার কাশ্মীর রাজনীতির এই বিশেষ ধরনটির জন্য। বিজেপির দৃষ্টিতে কাশ্মীর সমস্যা তাদের পাকিস্তানবিরোধিতা তথা মুসলিম বিরোধিতার প্রধান যুক্তি। এটাই তাদের দেশ ব্যাপী উপ্র জাতীয়তাবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার প্রধান কৌশল। কাশ্মীরে অশান্তিকে তাই ব্যবহার করেছেন মোদী ও তার সররকার। সমস্যা সমাধানের চেষ্টায় সময় না দিয়ে সেনার দমনমূলক কাজ কর্মের উপরই জোর দিয়েছেন তিনি। উপত্যকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের প্রতি নজর না বাড়িয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই কাশ্মীর উপত্যকার মানুষ গত পাঁচ বছরে আরও বেশি ভারতবিরোধী হয়েছে।

প্রশ্ন উঠছে, ২০১৬ সালের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের পর কিন্তু অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। ‘যুদ্ধ চাই, বদলা চাই’ বলে যারা চেঁচাচ্ছেন, তারা বোধ হয় জানেন না যে, দুটো পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে তার পরিণতি কী ভয়াবহ হতে পারে। এটা মেনে নিতেই হবে যে, মোদী সরকার কাশ্মীর সমস্যার সমাধানে ব্যর্থ। জঙ্গি দমনে ব্যর্থ। এমনকী নিজের নিরাপত্তাবাহিনীকে নিরাপত্তা দিতেও ব্যর্থ। নিরাপত্তার ফাঁকফোকর মেরামত করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ কোথায়? আগাম খবর থাকা সত্বেও কাদের গাফিলতিতে জঙ্গিরা এমন ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটাতে পারল— তার তদন্তে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, সেকথা মানুষ জানতে চায়। মানুষ চায় দোষীরা শাস্তি পাক। জঙ্গিরা ধরা পড়ুক। তাদের শাস্তি হোক। একথা ভুললে চলবে না যে, জঙ্গিবাদী সন্ত্রাসের প্রধান উদ্দেশ্য হলো, বিশৃঙ্খলা তৈরি এবং শান্তির আবহ নষ্ট করা। এটা করতে তারা সক্ষম হয়েছে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি জঙ্গিবাদের সঙ্গে ইসলামের যোগস্থাপনের একটা চেষ্টা চলছে। জঙ্গিবাদ মানেই মুসলমানি কর্মযজ্ঞ। ফলে ভারতের সব মুসলমানকেই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী হিসাবে দেগে দেওয়ার মনোভাব তৈরি হয়েছে কিছু মহলে। এই মনোভাবের কুপ্রভাব ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে পারস্পারিক আস্থা ও বিশ্বাস ক্ষুণ্ণ হলে, সেই রাষ্ট্রের অন্তরাত্মায় আঘাত লাগে।

পুলওয়ামা হামলার পর দেশজুড়ে কাশ্মীরি পড়ুয়া ও ব্যবসায়ীদের উপর হামলার খবর পাওয়া গেছে। কেবল ছবিও সোশ্যাল সাইটে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে বিষয়টি শুধুই আবেগতাড়িত, তা মেনে নেওয়া যথেষ্ট কঠিন। কাশ্মীরিদের উপর হামলা বন্ধে এবার নির্দেশ দিতে হল দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে। কেবল হামলা নয়, কাশ্মীরিরা যাতে সামাজিক বয়কট বা হেনস্তার শিকার না হন তা কেন্দ্র ও রাজ্যকে দেখতে বলেছে শীর্ষ আদালত। আজকের সময়ে সবচেয়ে বড় মুশকিল হল, মানুষের সামনে যুক্তি খাঁড়া করলে দেশদ্রোহী বলে দেগে দেওয়া হবে। এই প্রক্রিয়া চলছে পাঁচ বছর আগে থেকেই। এটা এমন এক তৈরি করা নকশা, যার মাধ্যমে দেশের সরকার ও প্রধান শাসকদলের বিরোধিতাকে দেশদ্রোহিতার সমার্থক বলে চালানো হয়। এই অসুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে পাঁচ বছর ধরে সযত্বে লালন করা হয়েছে। সেই দল পুলওয়ামার ঘটনার পর এই ছককে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে চাইছে। সোশ্যাল সাইটে যারা পাকিস্তান ও জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে মুখর হচ্ছেন, তাদের ভাষায় অন্য ইঙ্গিত স্পষ্ট। হঠাৎ করে গজিয়ে ওঠা ‘দেশপ্রেমে’ উদ্বিগ্ন দেশের বহু মানুষ বুদ্ধিজীবীদের অনেকেই বলছেন, এমন ‘দেশপ্রেম’ তারা দেখেননি কখনও। ভাবা দরকার কীভাবে সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ভাবা দরকার বছরের পর বছর ধরে এই সমস্যা টিকে থাকছে কী করে। ধরে নেওয়া যাক, এর জন্য দায়ী পাকিস্তান। তাহলে কেবলই কাশ্মীরিদের উপর অত্যাচার বাড়িয়ে কি এই সমস্যার সমাধান হবে? জঙ্গি নিকেশ হয়। তাতে হাততালিও পাওয়া যায়। কিন্তু জঙ্গি সমস্যাকে শেকড় থেকে উপরে ফেলা যায় না। কেন? এখন যে দেশপ্রেম মাথাচাড়া দিচ্ছে, তা আসল দেশপ্রেম নয়। পুলওয়ামায় আত্মাঘতী জঙ্গি হামলায় ৪৯ জন তরতাজা সিআরপিএফ জওয়ানদের মৃত্যুতে আমাদের দেশে তথাকথিত গেরুয়া জাতীয়তাবাদ একেবারে তুঙ্গে উঠে গেল। গৈরিক আস্ফালনে পুঁজি করে বিজেপি দেশজুড়ে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের বাতাবরণ তৈরির কাজকে অনেক বেশি জোরদার করে তুলেছে। পুলওয়ামার ঘটনাকে সামনে রেখে ছন্ম দেশপ্রেমের পতাকা হাতে দেশের ঘৃণা ও হিংসার আবহাওয়া গড়ে তুলতে নেমে পড়েছে বিজেপি মদতপুষ্ট গেরুয়াপন্থীরা। যাদের মতাদর্শক দিকনির্দেশ হল, পাকিস্তান মানেই শক্র! লুম্ফেন ও সুযোগসন্ধানীরা নেমে পড়েছে মাঠে। তারা সমর্থন পাচ্ছে সংবিধানের নামে শপথ নেওয়া সাংবিধানিক পদাধিকারীদের কাছ থেকে। এঁরা এদের সাধারণ বিবেকবুদ্ধি ও শিক্ষাদীক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে উগ্রজাতিদম্ভে মেতে উঠেছে। তা না হলে, মেঘালয়ের রাজ্যপাল তথাগত ডাক দিতেন। রাজ্যপালের মতো একটা রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান হিসাবে এমন কথা বলা বা টুইট বলেই মনে হয়। আজ এটা বোঝার সময় এসেছে যে, একটা জনপদের সব মানুষকে জঙ্গি হামলার সঙ্গে জড়িয়ে দেওয়ার অর্থ হল— পরোক্ষ সন্ত্রাসবাদী শিবিরকে শক্তিশালী করা। বিজেপির শীর্ষ নেতারা কি এই রাজনীতির ভয়ঙ্কর পরিণতি বুঝতে পারছেন না? তাহলে তারা কেন এ বিষয়ে নীরব থাকছেন? আসলে তারা বুঝে গেছেন এভাবে হিন্দু ভোটের সবটা নিজেদের পক্ষে আনতে না পারলে, নরেন্দ্র মোদীর দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়া সম্ভব হবে না। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সঠিকভাবেই বলেছেন, “এতবড় সাহস একটা কথা বলতে গেলেই বলে দিচ্ছে পাকিস্তানের পক্ষে ও, ভারতের পক্ষে এ। ওনারা একা দেশপ্রেমিক আর আমরা ভারতের শক্র।” ইতিহাসের শিক্ষা হল, উগ্রজাতীয়তাবাদ একটা নকল দেশপ্রেম। এই প্রকারের জাতীয়তাবাদের পোকা মাথায় ঢুকলে দেশজুড়ে আগুন জ্বলবে। তাতে পুড়ে খাক হবে সকলেই। একটা বিশেষ সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে শ্লোগান দিয়ে বেড়ানোটা দেশপ্রেম নয়। পাড়া, মহল্লা থেকে এরা ছড়িয়ে পড়ছে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিজেপির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নেতৃত্বে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সবক শেখানোর এবং দেশপ্রেমের পাঠ দেওয়ার যে ভীতি প্রদর্শন চলছে, সুপ্রিম কোর্ট তা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এই শক্তিকে সতর্ক করেছেন এবং পুলিশ প্রশাসনকে কড়া হাতে দিয়েছেন আগে থেকেই।

একথা বলতে দ্বিধা নেই যে, একটা যুদ্ধ যুদ্ধ গণহিস্টিরিয়া তৈরি করা হচ্ছে। আসলে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রতিকূল হবে— এটা ভেবেই এই পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। বিজেপির অনুকূল একটা ফ্যাসিবাদী হাওয়া তৈরির তীব্র চেষ্টা চালানো হচ্ছে নিহত জওয়ানদের সামনে রেখে।

এখন বলা হচ্ছে, মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতা বা দুর্নীতির অভিযোগ তোলাও নাকি দেশদ্রোহিতার সমার্থক। যুদ্ধের বিরদ্ধে যে, সে-ই এখন দেশদ্রোহী। ‘যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই’ একথা বলাও নাকি এখন বারণ। এ কোথায় চলেছি আমরা? আশার কথা, সাধারণ মানুষ এই পরিস্থিতিতেও মাথা ঠান্ডা রেখে মানবিকতার শুভশক্তিকে জাগরুক রেখেছেন। আক্রান্তের সহায় হয়ে পাশে দাড়িয়েছেন সাধারণ মানুষই। সাধারণ মানুষই আমাদের আশা ভরসার জায়গা। যুদ্ধবাজ ও সাম্প্রদায়িক শক্তিকে রাখতে পারে সাধারণ মানুষই। বিপদের সময় একথা যেন আমরা ভুলে না যাই।

This post is also available in: Bangla

Subscribe to Jagobangla

Get the hottest news,
fresh off the rack,
delivered to your mailbox.

652k Subscribers