ওদের বাঁধন যতই শক্ত হবে…

দোলা সেন

এক ভীষণ বিপদের মধ্যে আমরা। আমাদের দেশ। দেশের মানুষ। শত সহস্র শহিদের আত্মত্যাগ-আত্মবলিদানের বিনিময়ে ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছিল আমাদের দেশ। কিন্তু ৭০-৭২ বছর পরে আবারও এক ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থার মধ্যে যেন আমাদের থাকতে বাধ্য হতে হচ্ছে। কারও এক ভয়ংকর অঙ্গুলিহেলনে নির্ধারিত হচ্ছে আমাদের জীবনযাপন।

 আমরা কী খাব, কী পরব, কার সঙ্গে মিশব, কোথায় থাকব – সব কিছুকে নির্ণয় করার গুরুঠাকুর যেন এসে গেছেন! তার উপর ইভিএম-এর প্রোগ্রামিং ও কারসাজিতে এবং কিছু মানুষকে ভুল বুঝিয়ে, কাউকে কাউকে ভয় দেখিয়ে, কোনও কোনও জনদের কিনে নিয়ে গুরুঠাকুরদের আবার ৩০৩! তাই পুরোদস্তুর মগের মুলুক চলছে যেন! হিটলারি, তুঘলকির চূড়ান্ত আর কী?

 কয়েকদিন আগেই একটা নিদারুণ পার্লামেন্টারি অধিবেশন কাটানোর অভিজ্ঞতা হল! কোনও নিয়মনীতি নেই, আইনকানুন নেই, রুল-রুলবুককে মেরে তাড়াও, সংসদীয় কনভেনশন?- নো তোয়াক্কা, সমস্ত নৈতিকতা-আদর্শকে জলাঞ্জলি দিয়ে একটা দু’মাসের অধিবেশন হল বটে! হাতে মাথা কাটতে বাকি রইল শুধু!

  মোদিবাবু-অমিতবাবুরা ৩০৩ জিতে মোটামুটি গণতান্ত্রিক কাঠামোর নিয়মতন্ত্র বা লোক দেখানোর প্রচেষ্টাকেও জলাঞ্জলি দিয়েছেন। ওঁদের ধরনধারণ হল : আমরা ৩০৩, তাই আমরা যা বলব, সবাই তাই শুনবে। উঠতে বললে উঠবে। বসতে বললে বসবে। মরে যেতে বললে মরে যাবে। ব্যস! আর ৩০৩-এর কৃতিত্বের ভাগীদারও আমরা দু’জন। তাই কি দলের ভিতরে, কি দলের বাইরে-আমরাই শেষকথা!

 অর্থনীতির এত খারাপ অবস্থা এর আগে হয়নি? বেশ! তাতে কার কী? দেশে বেকারের সংখ্যা সব রেকর্ড ভেঙেছে? বেশ! তাতেই বা কার কী? তথ্য জানার অধিকার? খায় না মাথায় দেয়? ওসব RTI-ফারটিআই থাকবে না! কাশ্মীরে ৩৭০?  ৭০, ৮০, ৯০, ১০০ যা ইচ্ছে করব! আমরা না ৩০৩! কারও ধার ধারি না তাই! আগে রাষ্ট্রপতি সই করবেন, তারপর রাজ্যসভা, তারপর লোকসভা করব। উল্টোটা নিয়ম বুঝি? মানব না! কে আটকাবে? কাশ্মীরের জনগণ? তারা আবার কারা? কাশ্মীর কেন? সারা দেশের মানুষ মোদিবাবু-অমিতবাবুর বিজেপি উপনিবেশে বাস করেন কিনা! স্বাধীনতা? সংবিধান? মৌলিক অধিকার? এসব আবার কোথা থেকে এল? মোদিবাবু-অমিতবাবুরা যা নিদান দেবেন, সেটাই স্বাধীনতা, সংবিধান, মৌলিক অধিকার! বুঝেছ?

কোনও কথা নয়! কোনও প্রশ্ন নয়!

 এমন এক সাংঘাতিক গণতান্ত্রিক আইনসভার অধিবেশন যে সেখানে বিপক্ষের কথা শুনবো না মনে হলে লোকসভার স্পিকার মাইকের সাউন্ড মিউট করে দেন! আর রাজ্যসভার চেয়ারম্যান নির্ধারিত সময় শেষের অনেক আগেই বলার সুযোগ বন্ধ করে দেন গায়ের জোরে! শুধু মহামান্যদের প্রশস্তি হলে বলো, নইলে বাড়ি যাও! সে তুমি যেই হও না কেন?

কোনও রাজ্যের বিষয়ে কোনও সমস্যার কথা বা অতি প্রয়োজনীয় কোনও কাজের কথা বা রাজ্যের হকের কড়ি, ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত রাখার বিষয় যদি বলতে গেছ তাহলে তো আর কথাই নেই! রে রে করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠরা মারতে তেড়ে আসবেন! কোনও বিল আলোচনা করব না, সিলেক্ট কমিটিতে পর্যালোচনার জন্য পাঠানোর তো প্রশ্নই ওঠে না, এমনকী নির্ধারণের পরে চার মাস হয়ে গেলেও কোনও দফতর বা মন্ত্রকের কোনও স্ট্যান্ডিং কমিটিও বানাব না আমরা। কী করবে, দেখি? কী করতে পারো তোমরা? কিচ্ছু না! তোমরা মূর্খ নেটিভ অশিক্ষিত দেশবাসী ও তার প্রতিনিধিরা! কোনও ক্ষমতা নেই তোমাদের! কোনও গুরুত্বই নেই!

রাজ্যরা তো উপনিবেশের অধীন। তাদের এত কথা কিসের?

নেহাৎ, গণতন্ত্র দেখাবার জন্য এইভাবে একতরফা একটি পার্লামেন্টারি অধিবেশন ও সমস্ত গণতন্ত্র, আইন, বিরোধিদের অধিকারকে প্রহসনে পরিণত করা-এর আগে আর কখনও এই মাত্রায় এভাবে এদেশে হয়েছে বলে মনে হয় না। এ যেন জরুরি অবস্থার থেকেও ভয়ংকর! কারণ, জরুরি অবস্থায় বা রাষ্ট্রপতি শাসনে এটা অন্তত পুর্বঘোষিত থাকে। কিন্তু ঘোষণা না করে মুখে গণতন্ত্রের পরাকাষ্ঠার গল্প শুনিয়ে যেভাবে সবাইকে মুখ বন্ধ করে রীতিমতো ওঠবোস করানো হচ্ছে, এটা প্রায় অভূতপূর্ব।

এমনকী, ২৬ জুলাই পার্লামেন্ট শেষ হওয়ার সমন জারি হয়েছিল রাষ্ট্রপতির তরফে- ১১ জুন থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত অধিবেশন চলবার নোটিশ এসেছিল প্রায় দেড়মাস আগে। কিন্তু, ২৬ জুলাই বেলা ১২টায় গিয়ে লোকসভায় স্পিকার ও রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ঘোষণা করলেন, অধিবেশন ৭ আগস্ট অবধি বাড়ল। কারও যদি ফিরে যাওয়ার বা পরবর্তী ওই বর্ধিত সময়ের মধ্যে অন্য কোনও অনেকদিনের পূর্ব নির্ধারিত কাজ থাকে? তো কী আছে? চুলোয় যাও মরো গে! অধিবেশনে থাকার সুযোগ দিচ্ছি, আমাদের প্রয়োজনে, তাই আছ! না থাকলে না থাকবে! তাতে কার কী?

আমাদের ক্ষমতা শুধু এজন্যেই এত বেশি নয় যে আমরা টাকা ছাপাতে পারি। নোট বাতিল করে যত লক্ষ হাজার কোটি টাকা ছাপাতে পারি। নোট বাতিল করে যত লক্ষ হাজার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছি, তত লক্ষ হাজার কোটি টাকাই ছাপিয়ে নিয়ে দেখিয়ে দিয়েছি যে ‘হিসাব বরাবর’! আর কালো টাকা উদ্ধার করার গল্প শুনিয়ে আমাদের আর আমাদের বন্ধুদের কালো টাকাগুলোকে একটু ধবধবে সাদা করে নিয়েছি মাত্র। তাতে মাস তিন-চার দেশের লোকের একটু হেনস্তা হয়েছে, দেড়-দুশো লোক মারা গিয়েছেন, তো এত কথার কী আছে? উপনিবেশের কর্তাব্যক্তিদেরকে ঠিক রাখতে সাধারণ লোকের এইটুক কষ্টও হবে না, বুঝি? সত্যি! আরে বাবা! আমরা হচ্ছি মুরুব্বি! তাও যে সে নয়! একেবারে ৩০৩ পাওয়া মোড়ল! আমাদের উপনিবেশে তোমরা সব রয়েছ। খেতে পাও, না পাও, আমাদের মূল্য ধরে দিতে হবে বইকি! আর তোমাদের থেকে বসবাসের সুযোগ দেওয়ার জন্য যে দাম আমরা নিই, তার থেকে টুকটাক তো তোমাদের দিই-ও! তবু এত নেই নেই কেন? যা পাচ্ছো, তাতে খুশি থাকো! তোমাদের যদি ন্যায্য ফেরত দিতে হয়, তাহলে আমরা শেয়ার বাজারেই বা খাটাব কী? খোলাবাজারে টিকেই বা থাকব কী করে? আর মাঝে মাঝে রাশিয়া-টাশিয়া বিপদে পড়লে তাদের পাশেই বা দাঁড়াব কী করে? তোমাদের সব কথা শুনতে গিয়ে তো আর আমরা নিজেদের মান-মর্যাদা সব খুইয়ে বসতে পারি না! আমাদের তো একটা সম্মান আছে নাকি? না, এইসব গরিবগুর্বো হতচ্ছাড়া রাজ্যগুলোর জ্বালায় ঠিকমতো রাজধর্মও পালন করতে পারব না? তোমরা উপনিবেশে বসবাসের দাম দিচ্ছ, তারপর আবার তোমাদের কী করে চলবে?- এ প্রশ্ন ওঠালে হবে? যদি তোমাদের প্রয়োজনমতো হকের হিসেবে সব বুঝিয়ে দিতে হয়, তাহলে আমাদের অবস্থা যে তোমাদের মতো হয়ে যাবে! আমাদের তো আর তোমাদের মতো দিন আনি দিন খাই করে চলতে পারে না। একটু দান-ধ্যান, আমোদ-আহ্লাদ, যুদ্ধ-বিগ্রহ, ঘোরা-বেড়ানো তো চাই, নাকি! কিছুই তো বোঝ না, দেখছি! কত কষ্ট করে এই উপনিবেশকে হাতে পেয়েছি, তোমাদের জ্বালায় তা ঠিকমতো ভোগও করব না, তা কি হয়? সারাদিন শুধু হকের পাওনা বলে ঝামেলা বাধালে হবে? আমরা যে তোমাদের আমাদের উপনিবেশে থাকতে দিচ্ছি, তার একটা কৃতজ্ঞতাও নেই? কীরকম আক্কেলজ্ঞান বাবু, তোমাদের? আমাদের উপনিবেশে আমাদের তাঁবেদারিতে তোমরা থাকো! দাস দাসের মতো থাকো! তা নয়।

সব বিষয়ে এত কথা কিসের? NRC করে জাতীয়তাকে রেজিস্ট্রিকৃত করতে চাইছি। আধার কার্ড করে আঙুলের ছাপ থেকে চোখের মণির হিসাবে রাখছি। আরে বাবা? এত জনসংখ্যা! তার থেকে NRC করে কিছু তো কম করবই। শুধু মুসলমানকেই বাদ দেব কী করে? অত মুসলমানই তো নেই! জনসংখ্যা কমাচ্ছি কেন? খরচা কমাব বলে! তা খরচ কমাতে গেলে লক্ষ কোটি হিন্দু তো বাদ যাবেই! ব্রিটিশ উপনিবেশে যায়নি? বাঙালির চিরকালই একটু বাড়াবাড়ি করা স্বভাব! তাই ব্রিটিশ উপনিবেশে স্বাভাবিকভাবেই বাংলা ভাগ হয়েছিল। এখন আমাদের উপনিবেশেও বাদ দেওয়ার সময়ে বাঙালির উপর কোপ তো একটু বেশি পড়বেই অত নীতিকথা বলার কী আছে? দু’টো ‘জনগণমন’ আর ‘বন্দেমাতরম’ সৃষ্টি করেছো বলে আর একটু আধটু ঐতিহ্যের গল্প আছে বলে যা নয় তাই? নিজেদেরকে কী মনে করেছে বাঙালিরা? সবক শেখাতে একটু টাইট তো দিতেই হবে বাবা!

আবার কোথা থেকে শিল্প, খনি, বিমা ব্যাঙ্কের জাতীয়করণের কথা উঠছে? আরে বাবা, বিজাতীয়করণ, বিলগ্নিকরণ, নিজিকরণ, নিগমীকরণ তো হবেই! মান্ধাতার আমলের বস্তাপচা জাতীয়করণের ভাবনা থেকে গেল গেল করছে সব? আরে বাবা, মনটাকে একটু বড় করা দরকার। বাস্তবটা বোঝো! বাস্তবসম্মতভাবে ভাবো! আমাদের এখন কত কাজ! এক তো দুনিয়াটাকে জানতে হবে। এখনও অনেক অনেক দেখা বাকি! তারপর আকাশ-বাতাস-চাঁদ-সূর্য, এসব নিয়ে ভাবতে হচ্ছে, শিখতে হচ্ছে, মাথা ঘামাতে হচ্ছে! NRC করে বে-আদবদের একটু শিক্ষা দেওয়ার বিষয়ে ধ্যান দিতে হচ্ছে। রাশিয়ার মতো আরও কত গরিব দেশ কষ্টে আছে, তাদের পাশে দাঁড়াতে হচ্ছে। পরমাণু অস্ত্রের ক্ষমতা বাড়ানো নিয়ে চিন্তা করতে হচ্ছে। এতসব সামলে কিনা BSNL, SAIL, AIR INDIA, RAIL -এসব চালাতে হবে? যাঁদের লগ্নি করার ক্ষমতা আছে, যাঁরা কর্পোরেট, তাদেরই তো এসব কাজ? যার যা কাজ, সে তো তাই করবে। এবার সে খোলা বাজারে এসে এতসব দায়িত্ব নেবে, সে তো একটু লাভ-ক্ষতি বুঝে নেবেই। তাতে যদি কিছু লোক কমে, এত কথা বলার কী আছে? মাইনে বন্ধ না করলে উপায় কী? মাইনে বন্ধ হলে তবে না ঠ্যালা বুঝবে! তবেই না চাপের নাম বাবাজি! তাতে কয়েকজন আত্মহত্যা করলেই বা কী? এত জনসংখ্যা-১৩১ কোটির দেশ। রোজ অসুখেবিসুখে-দুর্ঘটনায়-খেয়ে- না খেয়ে কত লোক মরছে! সুইসাইড তো দুর্ঘটনাই! এত কথার কী আছে? আরে মাইনে ৮ মাস- ৯ মাস বন্ধ থাকলে তবে তো কিছু এমনি ছেড়ে চলে যাবে, কিছু মরে যাবে, কিছু ৪৫ বছরে VRS নিয়ে নেবে, কিছু ৩০ দিনের জায়গায় ১৮-২০ দিন কাজ পেয়েই খুশি থাকবে!

Be practical. আমরা তো সবটা plan করেই এগোচ্ছি! ফালতু আমদের পিছনে পড়ে লাভ কী? কীই বা করতে পারবে? বেশি চাপ দিলে, তাই পার্লামেন্টে মিথ্যে বললাম বাধ্য হয়ে। প্রিভিলেজ করলে, চিঠি খাওয়ালে! আর তো কিছু করতে পারোনি! ৮ মাসের মাইনেটা তো আদায় হয়নি! ব্যস!

লড়ছ, অনশন করছো, অবস্থানে বসছ, মিটিং-মিছিল করছ বটে! সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো চিরকালই এরকম! কোথায় ২৭ বছরে ৭ বার জেতা MP, ৫ বারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, দু’টার্মের মুখ্যমন্ত্রী, তাও একইরকম রয়ে গেলেন!

আসলে শ্রমিকরা, কৃষকরা, খেটে খাওয়া মানুষেরা, বাংলা তথা সারা দেশের সাধারণ মানুষেরা সারাজীবন জানেন, পৃথিবীর ইতিহাসে বারবার প্রমাণ হয়েছে, কুৎসা-অপপ্রচার-ষড়যন্ত্র মিথ্যা ও অন্যায় কোনওদিন শেষ কথা বলে না; শেষ কথা বলে সত্য ও ন্যায়, আর শেষকথা বলেন মানুষ। আর তাঁরা এও জানেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১ জুলাই-এর লড়াইয়ের মাধ্যমে এপিক কার্ডে ভোটাধিকার যেমন আদায় করেছেন, তেমন সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ বেআইনি ছিল, লড়ে লড়ে সেটা সর্বোচ্চ ন্যায়ালয় থেকেও আদায় করে ছেড়েছেন। আর সারাজীবন লড়তে লড়তে মার খেতে খেতে যুঝতে যুঝতে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বাংলায় প্রমাণ করে ছেড়েছেন, হ্যাঁ-সিপিএমকেও হারানো যায়! আর লড়ে লড়ে একটা অঙ্গরাজ্যে অসামান্য উন্নয়নের মধ্য দিয়ে মানুষকে অনুভব করানো যায়, সংবিধান-স্বীকৃত তাঁর বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকারগুলি জীবনে প্রাপ্তির স্বাদ কেমন! তাই, মানুষ তৈরি হচ্ছেন, লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, শপথ নিচ্ছেন:-

     লড়াই করো লড়াই করো লড়াই করো  

     যতদিন না বিজয়ী হও।

     যদি একবার হারো, বারবার লড়ো, বারবার লড়ো

     যতদিন না বিজয়ী হও।।

মনে মনে ঝালিয়ে নিচ্ছেন, “পুনর্মূষিকো ভবঃ”-এর নীতিকথাকে।

 আর বরাবরের মতো তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বেআইনি জমি অধিগ্রহণ থেকে FDI-এর মাধ্যমে খুচরো ব্যবসায়ীদের শেষ করে দেওয়ার প্রচেষ্টা, নোট বাতিল থেকে বিভাজনের রাজনীতি, NRC-র মাধ্যমে লক্ষ কোটি দেশবাসীকে বে-ঘর করার চক্রান্ত থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা-রাষ্ট্রীয় সংস্থা-এমনকী ডিফেন্স-এর মতো স্ট্যাটেজিক এরিয়াকে বিলগ্নীকরণ-নিজিকরণ-নিগমীকরণের ষড়যন্ত্র- প্রতিটি-প্রশ্নে লড়তে লড়তে এগিয়ে চলেছেন জননেত্রী, সংগ্রামের নেত্রী, মানুষের নেত্রী, গণ আন্দোলনের নেত্রী, মা-মাটি-মানুষের নয়নের মণি, তাঁদের একান্ত আপনজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

চরৈবেতি! চরৈবেতি! জয় আমাদেরই হবেই!

This post is also available in: English

Subscribe to Jagobangla

Get the hottest news,
fresh off the rack,
delivered to your mailbox.

652k Subscribers

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial