এনপিআরঃ সিএএ-এনআরসি কোনটা সত্যি কোনটা মিথ্যা

Share, Comment
EmailFacebookTwitterWhatsApp

পূর্ণেন্দু বসু

এক

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) এবং এনআরসি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে শীতকালীন বিক্ষোভ যখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে, আগুন জ্বলছে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহর নিজের দলের ক্ষমতাসীন রাজ্যগুলিতেও, তখন দেশের রাজধানীতে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি। ২২ ডিসেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়াদানে ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের ভাষণে তিনি বলেন, “সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন কোনও ভারতীয় নাগরিকের জন্য নয়। এর সঙ্গে এদেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘু মুসলিম মানুষের কোনও সম্পর্ক নেই। এই আইন করাও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয়। এই আইন নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন।””
(এই সময় ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৯)

তিনি আরও বলেন, “এই আইন তাঁদের জন্য, যাঁরা এই দেশে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন শরণার্থী হিসেবে। নতুন শরণার্থী এই আইনের দ্বারা উপকৃত হবে না। মুসলিমদের উদ্বেগের কারণ নেই। সিএবি বা এনআরসি কোনও মুসলিম নাগরিকের উপর প্রযোজ্য হবে না। ২০১৪ সালে আমার সরকার ক্ষমতায় আসার পরে দেশের কোথাও এনআরসি করা নিয়ে কোনও কথা আলোচনা হয়নি। এনআরসি তৈরি করা হয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে, শুধু অসমের জন্য। দেশের অন্যান্য অংশে এই কাজ করার কোনও পরিকল্পনা এখন নেই সরকারের।”

মোদির ভাষণ, প্রশ্ন উঠল সারা দেশে–কে ঠিক?

প্রশ্ন উঠল, তাহলে কে সত্যি বলছেন? নরেন্দ্র মোদি না অমিত শাহ? এই প্রশ্নটাই ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে, ২২ ডিসেম্বর, রবিবারের বারবেলায়। তথ্য বলছে, এ বছরের লোকসভা ভোট বা হয়ে যাওয়া ঝাড়খণ্ড বিধানসভা ভোটের ইস্তাহারে এনআরসি নিয়ে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বা বিজেপির কার্যনির্বাহী সভাপতি জে পি নাড্ডা বারবার বলেছেন। বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্র অমিত শাহও। অমিত শাহ নিজে সংসদে জানিয়েছেন– “দেশের সব রাজ্যে অসমের ধাঁচে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি হবেই। তা হবে ২০২৪ সালের ভোটের আগেই। এমনকী এ বছর জুনে সংসদের সেন্ট্রাল হলে স্বয়ং রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ জানিয়েছিলেন, সারা দেশে এনআরসি চালু করাকে তাঁর সরকার অগ্রাধিকার দেবে। অথচ রামলীলা ময়দানের ভাষণে নরেন্দ্র মোদি জানালেন, এনআরসি নিয়ে সরকারের মধ্যে কোনও কথাই হয়নি। ২০১৪ সাল থেকে এনআরসি নিয়ে সরকারের মধ্যে কোনও আলোচনাই হয়নি। মোদির দাবি, বিরোধীরা মিথ্যা বলছে। কেবল সুপ্রিম কোর্টের জন্য এনআরসি করতে হয়েছে। এতে স্তম্ভিত সারা দেশ। দেশজোড়া প্রশ্ন, প্রধানমন্ত্রী না স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, কে তাহলে সত্যি কথা বলছেন?

এনআরসি এবং সিএএ-র বিরোধিতায় আগুন জ্বলছে গোটা দেশে। এই আবহে এনআরসি-সিএএ প্রশ্নে সরকার যে বেশ ব্যাকফুটে সেটা পরিষ্কার।

মোদি বলেছেন, “১৩০ কোটি দেশবাসীকে বলতে চাই, ২০১৪ থেকে এনআরসি নিয়ে একটি শব্দও আলোচনা হয়নি” ২২ ডিসেম্বর ২০১৯।

১০ ডিসেম্বর ২০১৯ লোকসভায় অমিত শাহ বলেছেন, “মানকর চলিয়ে এনআরসি আনেবালা হ্যায় (বুঝে নিন, এনআরসি আসতে চলেছে)।

কার কথা সত্যি ‘একটি শব্দও আলোচনা’ না হলে, অমিত শাহ একথা বললেন কী করে।

শ্রী রাজনাথ সিং, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জে পি নাড্ডা যথাক্রমে ১৪ ডিসেম্বর, ২০ জুন, ১৯ ডিসেম্বর এনআরসি সম্পর্কে যা বলেছেন, তা অমিত শাহর বক্তব্যকেই সমর্থন করে। (সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, ২৩.১২.১৯)

ডিটেনশন শিবির নেই! মোদির দাবি

রামলীলা ময়দানের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, “দেশে কোনও ডিটেনশন ক্যাম্প নেই”। সব নাকি ঝুট হ্যায়। যাবতীয় বিরোধী স্বর তাহলে মিথ্যাবাদী বলে অভিযুক্ত হল। মোদির মতে, বিরোধীরা সবাই সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। রাশি রাশি মিথ্যা বলছে।

সরকার এনআরসি নিয়ে কোনও আলোচনাই করেনি। সেটা কি সত্যি কথা? “দেশের মুসলমানকে কোনও ডিটেনশন সেন্টারে পাঠানো হচ্ছে না। দেশে কোনও ডিটেনশন সেন্টারও নেই।” এটা কি সত্যি কথা?

মোদির মন্তব্যে হতবাক অসমের বিজেপি নেতারাও। প্রশ্ন উঠছে অসমের গোয়ালপাড়ায় সাতটি ফুটবল মাঠের সমান এলাকা জুড়ে যে ডিটেনশন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে, সেটা তাহলে কী!

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, নিত্যানন্দ রাই ২৭ নভেম্বর ২০১৯, রাজাসভায় জানিয়েছেন– “২২ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৯৮৮ জন বিদেশী ৬টি ডিটেনশন শিবিরে রয়েছেন।”

২৭ নভেম্বর রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেনের প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানিয়েছিলেন– “অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে ২০১৬ থেকে ২০১৯-এর ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ২৮ জন মারা গিয়েছেন।” তিনি আরও জানান, মৃতেরা সবাই বেআইনি অনুপ্রবেশকারী । তাই তাঁদের পরিবার ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য নয়। মন্ত্রক এক হিসেব দিয়ে জানিয়েছে, ২২ নভেম্বর পর্যন্ত অসমের ৬টি ডিটেনশন সেন্টারে ৯৮৮ জন বিদেশী নাগরিক বন্দি রয়েছেন।

অসমে বিদেশী বন্দিশালা

অসমের শিলচর, ডিব্রুগড়, তেজপুর, জোরহাট, গোয়ালপাড়া এবং কোকরাঝাড় (মহিলাদের জন্য) বন্দিশালাগুলি রয়েছে। নির্মীয়মাণ বন্দিশালা গোয়ালপাড়া। ৩০০০ আবাসিকের জন্য খরচঃ ৪৬ কোটি টাকা। বিদেশী বন্দিশালায় মৃতের সংখ্যা-২৮

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে শিলচরে ভোটপ্রচারে এসে মোদি বলেছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সমস্ত বিদেশী বন্দিশালা গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। পরে প্রধানমন্ত্রী হয়ে শিলচরে এলেও সে- বিষয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেননি। বরং অসমে নতুন ডিটেনশন ক্যাম্প বানাতে অর্থ বরাদ্দ করেছে তাঁর সরকার। সেই অর্থেই গোয়ালপাড়ায় গড়ে উঠেছে বিশাল বন্দিশালা। একসঙ্গে তিন হাজার ‘বিদেশী’ সেখানে থাকতে পারবেন। শিলচর শহরের বুকেই জেলখানা। সাইনবোর্ডে একটি সর্ষের তেল কোম্পানির বিজ্ঞাপন। সেই জেলখানার ভিতরে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের বিচারে বিদেশীদের জন্য বিশেষ বন্দিশালা। তবে সেটা কাগজে কলমে। বাস্তবের অভিজ্ঞতা বলছে, দাগি আসামিদের সঙ্গেই থাকতে হচ্ছে নাগরিকত্ব প্রমাণে ব্যর্থ মানুষজনকে। খাবার বলতে সকালে নোনতা চা ও রুটি । দুপুরে ভাত-সবজি। বিকেলেও দুপুরের মতো খাবার। রাতে কিছু নেই। তেজপুর জেলের ভিতরের ডিটেনশন ক্যাম্পে গত পুজোর সময় গিয়েছিল একটি সমাজসেবী সংস্থার প্রতিনিধিদল। তারা ফিরে এসে শুনিয়েছিল বন্দিদের দুরবস্থার কথা। এর পরও কি বলতে হবে, প্রধানমন্ত্রী সত্য কথা বলছেন! উল্লেখ্য যে, অপর বিজেপিশাসিত রাজ্য কর্নাটকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের রাখার জন্য ৩৫টি অস্থায়ী ডিটেনশন কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে।

প্রশ্ন উঠছে, এর পরেও কীভাবে খোদ প্রধানমন্ত্রী বলেন, এদেশের ডিটেনশন ক্যাম্পের কোনও অস্তিত্ব নেই। উল্টে বিরোধী ও ‘শহুরে নকশাল’দের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন তিনি।

মমতাই মূল লক্ষ্য

ক’দিন ধরেই একটানা নয়া নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি)র প্রশ্নে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লির রামলীলা ময়দানে বক্তৃতার শেষলগ্নে মোদি তাঁর স্বভাজাত নাটকীয় ভঙ্গিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে নানা অভিযোগ করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি ‘ভয়’ পেয়ে এমন বিরোধিতা করছেন!

সংসদে সিএবি আসার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে সরব হন মমতা। উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির পরে প্রথম যে রাজ্যে মানুষ পথে নামেন, তার নাম পশ্চিমবঙ্গ। মমতা দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছেন, ওই আইন তিনি বাংলায় বলবৎ হতে দেবেন না। এর পর নিজেদের রাজ্যে ওই আইন প্রয়োগ হতে দেবেন না বলে জানিয়েছেন, কেরল, ছত্তিশগড়, পাঞ্জাব ও বিহারের মুখ্যমন্ত্রীরা। নরেন্দ্র মোদি মমতাকেই তাঁর নিশানা করেছেন। মমতা বলেছেন, যা বলেছি মানুষের সামনেই বলেছি। এনআরসি’র বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী উল্টো কথা বলছেন। দেশকে কে বিভাজন করছে? কে ঠিক, কে ভুল মানুষ ঠিকই বিবেচনা করবেন। সিএএ মানছি না, এনআরসি মানছি না। এভাবেই মমতা তাঁর দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করেন। আসলে মোদি-শাহর চিন্তা হল, এভাবে মমতা তাঁদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে থাকলে, বাংলা দখলের স্বপ্ন অধরা থেকে যাবে।

বিজেপির পারের কর্তা মোদি!

এনআরসি এবং সিএএ-এর বিরুদ্ধে গোটা দেশজুড়ে এত ব্যাপক প্রতিবাদ গড়ে উঠতে পারে নরেন্দ্র মোদি নামের ‘ম্যাজিশিয়ান’ তা আঁচ করতে পারেননি। তাঁর মতো একজন সর্বাধিনায়ক থাকতে কী এমন হল যে, লক্ষ লক্ষ মানুষ পথে নেমে প্রতিবাদ করছেন। এ তো শুধু বিরোধী দলগুলো আর ‘শহুরে নকশাল’ নয়, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, যুবসমাজ রাস্তায় নেমেছে সরকারের বিরুদ্ধে। অশান্তির ষড়যন্ত্র টিকছে না। শান্তিপূর্ণ গণ-আন্দোলনের চেহারা নিচ্ছ প্রতিবাদ। এত বিপুল ভোটে ক্ষমতায় আসার পর এই অল্প সময়ের মধ্যে অপ্রত্যাশিতভাবে এরকম হল কী করে? যে উত্তর-পূর্ব নিয়ে বিশেষ চিন্তা ছিল না, সেখানে এই বিরোধিতা করছে? কেন শরিক দলগুলি এনআরসি প্রশ্ন রুখে দাঁড়াচ্ছে? কী এমন হল? পুলিশ দিয়ে, সংঘ দিয়ে রোখা যাচ্ছে না কেন? তিনি তো সর্বেসর্বা। তিনি তো মানুষকে মোহিত করে দিতে পারেন। তাই তাঁকেই রাস্তায় নেমে দলের পাল্টা প্রচারের অভিমুখ তৈরি করে দিতে হচ্ছে।

নরেন্দ্র মোদি ২২ ডিসেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে সেই কাজটা করতে ভাষণে সময় নিলেন ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট। নানাভাবে বোঝালেন, বিরোধীরা এবং ‘আরবান নকশাল’রাই হল দায়ী। তাঁরা মিথ্যা প্রচার করে মানুষকে খেপিয়ে দিচ্ছে। আর যত নষ্টের গোড়া বাংলার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদির সহজ কথা এনআরসি হচ্ছে না। ভারতে বসবাসকারী মুসলিমদের দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই। দেশে কোনও ডিটেনশন ক্যাম্পই নেই। সবই বিরোধী মিথ্যা অপপ্রচার। তাঁরা মোদিকে পছন্দ করে না। তাই আন্দোলনের কোনও দরকার নেই। সকলকে শান্ত হতে হবে– স্লোগান উঠল–“মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’!

নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘ ভাষণ শোনার পর বোঝা গেল, তিনি মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। তাঁর ভাষণের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করার পর একথা বোঝা যাচ্ছে, নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে বড় ভুল করেছেন। হিন্দু জাতীয়তাবাদের বেপরোয়া অগ্রগতির যাত্রাপথে তিনি এবং অমিত শাহ বিরাট ধাক্কা দিয়েছেন, ভারতের অন্তরাত্মায় ভারতবাসীর বিভেদের মধ্যে ঐক্যের, তার বহুত্বের, তাঁর ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শবোধের ভিত্তির উপর। আঘাত দিয়েছেন ভারতের সংবিধানের উপর। সংখ্যাগরিষ্ঠের পাশব শক্তি প্রদর্শনে অপমানিত লাঞ্ছিত ভারতাত্মা সম্বিত ফিরে পেয়েছে। ফিরে এসেছে স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান আদর্শগুলির প্রতি নবীনের প্রাণের শ্রদ্ধা। গণদেবতার রুদ্ধকণ্ঠের দ্বার খুলে যাচ্ছে। প্রবল বিক্রমে উঠছে–আজাদির আওয়াজ। এ যেন স্বৈরাচারী, সংখ্যালঘুর অধিকার হরণকারী ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে সার্বিক জন ঐক্যের, গণসম্প্রীতির মহাবিস্ফোরণের পূর্বাভাস। জনগণমনের স্বরাজ ঘোষণা। এই গণ-বিস্ফোরণে উন্মাদ একনায়করা ভয় পাবেই। এখনকার তর্জন-গর্জন সেই ভয়েরই বহিঃপ্রকাশ।

This post is also available in: Bangla

Subscribe to Jagobangla

Get the hottest news,
fresh off the rack,
delivered to your mailbox.

652k Subscribers

Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial